তুফানগঞ্জ মহকুমাজুড়ে জ্বরের প্রাদুর্ভাব, ভয় না পাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের

928

তুফানগঞ্জ: চারিদিকে যখন করোনা আবহে জনজীবন জেরবার, সেসময়ে তুফানগঞ্জ মহকুমাজুড়ে জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিটি পাড়ায় খোঁজ করলেই মিলবে জ্বরে আক্রান্ত রোগী। তবে করোনা আবহের মধ্যে বেশিরভাগ জ্বরের রোগী নিজের বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা পরিষেবা নিচ্ছেন। আবার কিছু মানুষ তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের অর্ন্ত ও বর্হিবিভাগের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিচ্ছেন। শুধু পুরুষরাই নন, জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন শিশু ও নারীরাও।

লকডাউন চলাকালীন তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে তৈরি আইসোলেশন ওয়ার্ডে যেমন জ্বর নিয়ে ভরতি রয়েছেন বারোকোদালির মানিক বর্মন, ভান্ডিজেলাসের নরেন্দ্রনাথ ব্যাপারিরা, তেমনি মহিলা ওয়ার্ডে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বুলু দাসের মতো মহিলারা। জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। তুফানগঞ্জ শহরের ১২ ওয়ার্ডের কর্মকার পাড়ার বাসিন্দা কার্তিক কর্মকার বলেন, জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আজই সুস্থ হয়ে উঠেছি। এখন আমাদের বাড়িতে বাবার জ্বর রয়েছে।

- Advertisement -

তিনি মনে করেন, ঋতু পরিবর্তনের জন্য ভাইরাল জ্বর হচ্ছে। একইভাবে বাড়িতে চিকিৎসাধীন থেকেই জ্বর থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ ওয়ার্ডের সুব্রত দাস। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবার এই সময়ে অর্ন্ত ও বর্হিবিভাগ মিলে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী হয়। করোনা আবহের জন্য এখন তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে গিয়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ হয়েছে। তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের সুপার মৃণালকান্তি অধিকারী বলেন, হাসপাতালে যা রোগী হচ্ছে, তার ১০ শতাংশ জ্বরের রোগী। তবে জ্বর হলেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলে জানান তিনি। জ্বর হলে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসকদের দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ দেন তিনি।