প্রথমবার ২০ হাজার ছাড়াল আক্রান্তের সংখ্যা, সুস্থ আরও ২০ হাজার

226

নয়াদিল্লি: দেশে মারণ রোগ করোনার দাপট কমার কোনও লক্ষণ তো নেই-ই, বরং দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবারই দেশের মোট আক্রান্ত ছয় লক্ষ পেরিয়েছিল। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৯০৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার টপকে গেল। এক দিনে এত সংখ্যক মানুষ এর আগে সংক্রমিত হননি। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ছ’লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪ জন। দেশে বর্তমানে দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে লড়াই করছেন মোট ২,২৭,৪৩৯ জন রোগী।

আক্রান্ত দ্রুত হারে বাড়লেও, ভারতে করোনা রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যানটাও বেশ স্বস্তিদায়ক। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৩২ জন সুস্থ হয়েছেন। যা ২৪ ঘণ্টার নিরিখে এখনও অবধি সর্বোচ্চ। এ নিয়ে মোট তিন লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৯২ জন করোনার কবল থেকে মুক্ত হলেন। সব মিলিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা চার লক্ষের দিকে এগচ্ছে। দেশে চিকিৎসা সহায়তায় সুস্থ হয়েছেন মোট ৩,৭৯,৮৯২ জন করোনা রোগী। এই রোগ থেকে সুস্থতার হার এখন ৬০.৭২ শতাংশ।

- Advertisement -

মহারাষ্ট্রের পর দেশের মধ্যে যে রাজ্যগুলোতে সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ দেখা গেছে সেগুলো হল, তামিল, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং রাজস্থান। এদিকে তামিলনাড়ুতেও একদিনে রেকর্ড মাত্রায় সংক্রমণ হয়েছে। সেরাজ্যের হিসাবে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪,৩৪৩ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। ফলে দক্ষিণের ওই রাজ্যটিতে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ৯৮,৩৯২ এ। রাজধানী চেন্নাইয়েই গোটা রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের ৬৩.৬ শতাংশ রোগী রয়েছে।

করোনা সংক্রমণের বিচারে এখন মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুর পরে রয়েছে দিল্লি। দেশের রাজধানীতে মোট ৯২,১৭৫ জনেরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ভারতের প্রথম প্লাজমা ব্যাংকের উদ্বোধন করেন সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। উদ্বোধনের পর তিনি ফের একবার সকলকে প্লাজমা দান করার জন্যে আবেদন করেন।

এদিকে, লকডাউন উঠে যাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গেও সংক্রমণ বৃদ্ধিটা বেড়েছে। শেষ ক’দিনে দৈনিক বৃদ্ধি ৬০০ পার করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪৯ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন এ রাজ্যে। এ নিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত হলেন ১৯ হাজার ৮১৯ জন। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মোট ৬৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে।