বছরের প্রথম দিনে লক্ষ্মীলাভ, উপচে পড়া ভিড় মিষ্টির দোকানগুলিতে

80

বক্সিরহাট: বছরের প্রথম দিন মহিষকুচির মিষ্টির দোকানগুলিতে লক্ষ্য করা গেল উপচে পড়া ভিড়। খুচরো ও পাইকারি ক্রেতা সামলাতে রীতিমতো নাজেহাল বিক্রেতারা।  ভোট ও করোনার আবহেও ক্রেতা সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় খুশি আমেজ বিক্রেতাদের মধ্যে। শালডাঙ্গা বাজারের মিষ্টি বিক্রেতা প্রদীপ পাল,  নির্মল পাল, সত্য পাল প্রমুখেরা জানান, গতবছর লকডাউনের জন্য নববর্ষের দিনে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। তাই কোনও দোকানে হালখাতা মহরত অনুষ্ঠিত হয়নি। সেই কারণে নববর্ষে কোনও মিষ্টি বিক্রি হয়নি এমন কি তারপরও প্রায় ৬ মাস মিষ্টি বিক্রি বন্ধ ছিল। তবে, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।

বেশ অনেকদিন পরে বৃহস্পতিবার আগের মতো বিক্রি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বইছে মিষ্টি ব্যবসায়ী মহলে। ব্যবসায়ী নির্মল পাল জানান, তিনি খুব ভয়েই ১০ হাজার মিষ্টি তৈরি করেছিলেন। তবে, এদিন দুপুরের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। একই অবস্থা শালডাঙ্গার বাকি বিক্রেতাদেরও। বিক্রেতারা আরও জানান, মহিষকুচি ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই প্রচুর পরিমাণ গবাদি পশু পালন করা হয়।  সেকারনে এলাকায় প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ দুধ উৎপাদন হয়। তা থেকে তৈরি ছানা ও মিষ্টি প্রতিবেশী অসম সহ কোচবিহার ও আলিপুদুয়ার জেলার বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করা হয়। গুনগত মান ভালো হওয়ায় মহিষকুচির শালডাঙ্গা এলাকার মিষ্টির চাহিদা ও সুনাম রয়েছে প্রতিবেশী দুই রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাতে। তবে, শালডাঙ্গার চমচম আকারে ও স্বাদে সবাইকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। আর সেকারনেই নববর্ষের বিশেষ দিনে ভিড় উপচে পড়েছে শালডাঙ্গার মিষ্টির দোকানগুলিতে।

- Advertisement -