আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়বে মিম: ওয়েইসি

440

উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকিকে সঙ্গে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে লড়বে AIMIM (সংক্ষেপে মিম)। রবিবার সকালে ফুরফুরা শরিফে এসে এমনটাই জানালেন মিম নেতা আসাদ উদ্দীন ওয়েইসি। এদিন তাঁকে ফুরফুরা শরিফে স্বাগত জানান আব্বাস সিদ্দিকি। এরপর ওয়েইসি পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে বৈঠক করেন। বিধানসভা ভোটের আগে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেস ওয়েইসির এই সফরকে গুরুত্ব দিতে নারাজ।

- Advertisement -

সম্প্রতি বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ২০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ৫টি আসনে জয়ী হয়েছে আসাদ উদ্দীন ওয়েইসির অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM বা সংক্ষেপে মিম)। বিহারে ভালো ফলের পর এবার ওয়েইসির দলের নজর পশ্চিমবঙ্গের দিকে। মিম যে ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে, তা ওয়েইসির কথাতেই প্রমাণিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিহারে সংখ্যালঘু ভোট মিমে পড়ায় সুবিধা হয়েছে বিজেপির। ২০২১-এ এরাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্গে লড়াইয়ে তৃণমূলের কাছে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে মিম। কারণ মুসলিম ভোট ওয়েইসির দিকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বাংলার মুসলিম ভোট ব্যাংকে ওয়েইসি ভাগ বসালে বিজেপির যে সুবিধা হবে, সেটা বলাইবাহুল্য। বিহার নির্বাচনে দেখা গিয়েছে, বাংলা ঘেঁষা বিহারের বেশকিছু আসনে ওয়েইসির দল জয়ী হয়েছে। AIMIM থাবা বসিয়েছে কংগ্রেস, আরজেডি-র মুসলিম ভোট ব্যাংকে।

পশ্চিমবঙ্গের মালদা, উত্তর দিনাজপুর লাগোয়া বিহারের কাটিহার, কিশনগঞ্জ, পূর্ণিয়া জেলার ৮টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। এলাকাগুলি মুসলিম অধ্যুষিত। সেখানকার মানুষের ভোট স্বাভাবিকভাবেই মিমে পড়েছে। আর এটাই ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এরাজ্যে নির্বাচনে সিদ্দিকি-ওয়েইসি জোট করে লড়লে সংখ্যালঘু ভোট অনেকটাই তাঁদের দিকে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল।