খালের জলে ভেসে গেল পাকা ধান, মাথায় হাত চাষিদের

634

বর্ধমান: খালের জলের ভেসে গিয়েছে পাকা ধানের জমি। এরফলে, মাথায় হাত পড়েছে রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকের আমারুন ১ অঞ্চলের চাষিদের। সেচ খালের জল পাকা ধানের জমি প্লাবিত করায় সংকটে পড়ে গিয়েছেন ভাতারের আড়া, আমারুন সহ সংলগ্ন এলাকার বহুচাষি। তাঁদের বক্তব্য, অসময়ে জমিতে সেচের জল ঢুকে পড়ায় ধান নষ্ট হয়ে যাবে। তার জন্য চরম তাঁদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। ক্ষতিপূরণ না মিললে চাষিরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।

আমারুন এলাকার চাষিরা জানিয়েছেন, খরিফ মরশুমের ধান পেকে গিয়েছে। এখন জমির পাকা ধানগাছ কাটা শুরু হয়েছে। অনেকের কাটা ধান গাছ জমিতেই পড়ে রয়েছে। কেউ কেউ ধান কাটা-ঝাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। তারই মধ্যে বুধবার রাত থেকে ডিভিসি সেচখালে হু হু করে জল বাড়তে শুরু করে। সেচখালের কিছু অংশে বাঁধ ভাঙা ছিল। সেখান দিয়ে জমিতে জল ঢুকে পড়েছে।

- Advertisement -

এলাকার চাষি জহিরউদ্দিন বলেন, সেচখাল দিয়ে প্রচুর জল পাকা ধান জমিতে ঢুকে পড়ায় ভীষণ ক্ষতি হয়ে গেল। যে পরিমাণ জল জমিতে ঢুকেছে তা শুকোতে কমকরে একমাস লাগবে। এতদিন মাঠে ধান কাটার মেশিনও নামানো যাবে না। অপর চাষি জসিম মোল্লা জানান, এবছর এমনিতেই পোকায় ধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। জমিতে লাগাতার কীটনাশক প্রয়োগ করেও পোকা আটকানো যায় না। এখন পাকাধানের জমিতে জল ঢুকে গিয়ে বড় ক্ষতি হয়েগেল । এলাকার চাষির ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন।
ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ প্রদ্যুৎ পাল বলেন, ভাতারের একটা অংশের খুব ক্ষতি হয়েছে ঠিকই। পাকাধানের জমিতে ক্যানেলের জল ঢুকে গেছে। তিনি নিজে এলাকা ঘুরে দেখেছেন। চাষিদের জন্য কি করা যায় সেই বিষয়টি নিয়ে উচ্চ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে কৃষি কর্মাধ্যক্ষ জানিয়েছেন।