ইন্দোর, ২ জুলাইঃ বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের তত্পরতায় পাকিস্তান থেকে আড়াই বছর আগে ভারতে ফিরেছেন মূক ও বধির গীতা। কিন্তু এখনও তিনি স্বজনহারা। থাকেন সরকারি হোমে। বহু চেষ্টা করেও তাঁর পরিজনদের খোঁজ মেলেনি। গীতাকে পারিবারিক জীবন দিতে বহুদিন থেকেই তত্পর বিদেশমন্ত্রী। মেয়েটির বিবাহের ব্যবস্থা করতে সোশ্যাল সাইটের দ্বারস্থ হয় বিদেশমন্ত্রক। দেওয়া হয় বিজ্ঞাপন। সাড়াও মেলে। বাছাই করা ১৪টি আবেদনপত্র থেকে পাত্রদের স্বয়ংবর সভায় ডাকা হয়েছিল। গতমাসে ইন্দোরের ডেফ অ্যাকাডেমিতেই বসেছিল স্বয়ংবর সভা। মাসের প্রথম ও শেষদিকে স্বয়ংবরের ব্যবস্থা করা হয়। অ্যাকাডেমির অধিকর্তা মণিকা পাঞ্জাবি জানিয়েছেন, পাত্রদের মধ্যে দুজনকে গীতার পছন্দ হয়েছে। যে দুজনকে গীতা পছন্দ করেছেন, তাঁদের একজন গোয়ালিয়রের বাসিন্দা, অপর ব্যক্তি থাকেন জয়পুরে। এই বিয়েতে কন্যাপক্ষের একটাই দাবি, গীতার মা-বাবাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য উদ্যোগ নেবেন তাঁর হবু স্বামী। অনেক সময় অসম্ভবও সম্ভব হয়। তাই আশা ছাড়ছে না বিদেশমন্ত্রক।