মেলেনি মিড ডে মিল, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ অভিভাবকদের

174

মেখলিগঞ্জ: বেশ কয়েকমাস ধরে মিড ডে মিলের সামগ্রী ঠিকমত দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি মিড ডে মিলের সঙ্গে যুক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বেশ কয়েক মাস ধরে বকেয়া পাওনা পায়নি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১০৮ ছোট কুচলিবাড়ি পঞ্চম যোজনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন একাংশ অভিভাবক অভিভাবিকা ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। বিক্ষোভকারীদের দাবি দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর যারা মিড ডে মিলের সামগ্রী পায়নি তাদের সামগ্রী দেওয়ার আশ্বাস ও স্বনির্ভর গোষ্ঠী মহিলাদের বকেয়া প্রাপ্য দেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়।

মকসেদুল হক, বাদসা আলম, মহম্মদ নসির ও মকসেদুল ইসলামের মত অভিভাবকদের অভিযোগ কয়েক মাস ধরে মিড ডে মিলের স্লিপ দেওয়া হলেও চাল ও অন্যান্য সামগ্রী ঠিক মতো দেওয়া হচ্ছিল না স্কুলে। বাদশা আলম বলেন, ‘লকডাউন পরিস্থিতিতে রোজগার নেই। এই পরিস্থিতিতে মিড ডে মিলের সামগ্রী ছেলে মেয়েদের জন্য খুবই উপকারে লাগে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিক মত দিচ্ছে না। সেজন্য আমরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ দেখাই।’

- Advertisement -

পাশাপাশি বেশ কয়েক মাস ধরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তাদের মিড ডে মিলের পাওনা পাচ্ছেন না। বকেয়া পাওনার দাবিতে এদিন তারাও বিক্ষোভে শামিল হন। নুরজাহান বেগম নামে এক স্বনির্ভর গোষ্ঠী সদস্যা বলেন, ‘আমরা স্কুলে মিড ডে মিলের রান্না করি। এখন করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ থাকায় রান্না বন্ধ কিন্তু খাদ্য সামগ্রী প্যাকেট করা থেকে সরবরাহের কাজ করি। আমাদের প্রাপ্য টাকা বিডিও অফিস থেকে স্কুলের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকে। অন্যান্য সব স্কুল থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠী সদস্যদের সেই টাকা দিলেও আমাদের স্কুল কর্তৃপক্ষ কয়েক  মাস থেকে টাকা দিচ্ছে না।’

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ভূষণ অধিকারী জানান, বেশ কিছু অভিভাবক নির্দিষ্ট সময় মিড ডে মিলের সামগ্রী নিতে আসেন নি। তাই তারা পাননি। মিড ডে মিলের সামগ্রী দেওয়া বন্ধ হওয়ার পর তারা স্কুলে এসে যোগাযোগ করে।’ তবে যারা যারা মিড ডে মিল সামগ্রী পায়নি তাদের সবাইকে দেওয়া হবে বলে জানান ভূষণ বাবু। পাশাপাশি স্বনির্ভর গোষ্ঠী মহিলাদেরও পরের মাসে তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘গত তিন মাসের বিল আসেনি স্কুলে।’ অন্যদিকে মেখলিগঞ্জ দক্ষিণ সার্কেলের স্কুল পরিদর্শক বরুন বিশ্বাস বলেন, ‘বিক্ষোভের খবর জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।’