রাজ্যপালকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি করা হোক, কটাক্ষ পার্থর

293

কলকাতা: রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন নিত্যদিনের ঘটনা। বলা ভালো তৃণমূলের সঙ্গে সংঘাত রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের। তাঁর বিরুদ্ধে রাজভবনকে বিজেপির দপ্তরে পরিণত করার অভিযোগ প্রায়ই করে থাকে তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরও একধাপ এগিয়ে শনিবার রাজ্যপালকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি করে দেওয়া হোক বলে মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, রাজ্যপাল আর রাজ্যপাল নেই। উনি বরং বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দাবি করুন, দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে ওঁকেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি করে দেওয়া হোক। অত বড় বাড়িও ব্যবহার করবেন, আবার বিরোধী দলের নেতাদের মতো কথা বলবেন, দুটো একসঙ্গে হয় না। বিজেপি নেতারা যেভাবে কুৎসা করছেন, অসত্য বলছেন, তার চেয়ে বেশি লড়াইয়ে নেমেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল পদে গোপালকৃষ্ণ গান্ধিকে দেখেছি, তিনি কত মেপে কথা বলতেন। আমি রাজনীতিতে আসার আগেও বহু রাজ্যপালের কার্যবিধি প্রসঙ্গে সংবাদপত্রে পড়েছি। এমন আচরণ কাউকে করতে দেখিনি।

- Advertisement -

বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তৃণমূল ত্যাগের জল্পনায় এদিন জল ঢেলেছেন তৃণমূলের মহাসচিব। তিনি বলেন, রাজীব অবশ্যই দলের সঙ্গে রয়েছেন। কেন তাঁকে নিয়ে বারবার প্রশ্ন করে খবর তৈরির চেষ্টা হচ্ছে? তিনি নিজেও বলেছেন দলেই আছেন। যেদিন ও দলে থাকবেন না, সেদিন প্রশ্ন করবেন। সদ্য তৃণমূলত্যাগী শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তিনি বলেন, যাঁরা এখন বুক ফুলিয়ে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের জন্য কৃতিত্ব দাবি করছেন, তাঁদের নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। কারণ, যাঁরা আন্দোলন করেন, লড়াই করেন, তাঁরা কৃতিত্ব দাবি করেন না। নন্দীগ্রামের ইতিহাস যাঁরা জানেন, তাঁরা ভালোভাবেই মমতার ২৬ দিনের অনশনের কথা জানেন। তিনি কোনও কৃতিত্ব দাবি করেননি। এদিন দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেন পার্থবাবু।

তিনি জানান, ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর বঙ্গধ্বনি যাত্রা করবে তৃণমূল। ২৮ ডিসেম্বর বিধানসভায় বিধায়করা বঙ্গধ্বনির ধন্যবাদ যাত্রা করবেন। যেখানে বিধায়ক নেই, সেখানে সেই বিধানসভার দায়িত্বে থাকা নেতারা করবেন। ২৯ তারিখ জেলা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচি সংগঠিত করবেন।