আসেনি সরকারি নির্দেশ, চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে চালু হল না যাত্রী পারাপার

249

চ্যাংরাবান্ধা: সোমবারও কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত শুরু হল না। যা নিয়ে খানিকটা হতাশ এই চেকপোস্ট সংক্রান্ত কাজে যুক্ত বিভিন্ন মানুষজন। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সাতমাস ধরে এই চেকপোস্ট দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে রয়েছে। পুনরায় চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার শুরু হতে চলেছে, রবিবার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনেকের মুখে হাসি ফোটে।

এই কাজের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রের ব্যবসায়ী এবং কর্মীরাও তাঁদের দোকানপাট পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেন। চেকপোস্ট খোলার অপেক্ষায় সোমবার সকাল থেকেও দিনভর তাঁরা আশায় ছিলেন। কিন্তু সন্ধ্যা অবধি চেকপোস্ট খোলার কোনও নির্দেশ স্থানীয় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দপ্তরের কর্তাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রীপারাপার সংক্রান্ত বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি বার্তা এই সীমান্তে এসে পৌঁছানোর পরেই এনিয়ে আশার আলো দেখতে পান সংশ্লিষ্ট সকলেই। যদিও বিদেশমন্ত্রকের বার্তাটি স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাদের কাছে স্পষ্ট নয়।

- Advertisement -

এই সীমান্ত চেকপোস্টের আধিকারিকগণ অবশ্য জানিয়েছেন, তাদের কাছে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপারের বিষয়ে নতুন করে কোনও নির্দেশ এসে পৌঁছায়নি। এই সম্পর্কে তাদের পক্ষে কিছু বলাও সম্ভব নয়। চ্যাংরাবান্ধা মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র সমূহের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাহা এ প্রসঙ্গে সোমবার বলেন, আমরাও রবিবার শুনতে পাই এই চেকপোস্ট দিয়ে পুনরায় পাসপোর্ট নিয়ে যাত্রীদের চলাচল শুরু হবে। তিনি জানান, এনিয়ে তাঁরাও খুশি হয়েছিলেন। কারণ চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় তাঁদের মত অনেকেরই ব্যবসায় দারুণভাবে মন্দা নেমে এসেছে। কবে নাগাদ পুনরায় পরিস্থিতি আগের মত হয় এখন তাঁরা সেইদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে কয়েকমাস এই চেকপোস্ট দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যও বন্ধ ছিল। সেটা অনেক আগে চালু হয়ে গেলেও যাত্রী পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে রয়েছে। তবে চেকপোস্ট খুললেও নেপাল, ভুটান ও ভারতের মানুষজন বাংলাদেশে যাতায়াত করতে পারলেও বাংলাদেশের মানুষজন ভারতে ঢুকতে পারবেন কিনা সেটাও পরিষ্কার নয়। যেসব যাত্রী পাসপোর্ট নিয়ে সীমান্ত পারাপার করবেন, তাদের কোভিড পরীক্ষার সাটিফিকেট এবং রেজাল্ট নেগেটিভ থাকা বাধ্যতামূলক রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও বিষয়টি সীমান্তের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তাদের নিকট এখনও স্পষ্ট নয়। তবে খুব দ্রুত এখান দিয়ে পাসপোর্টধারী মানুষের যাতায়াত চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।