চ্যাংরাবান্ধা চেকপোস্ট দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে পাসপোর্টধারীদের যাতায়াত

1619

গৌতম সরকার, চ্যাংরাবান্ধা: প্রায় সাত মাস পর কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পুনরায় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত শুরু হতে চলেছে। রবিবার এই খবর চাউর হতেই এই পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজে যুক্ত বিভিন্ন মানুষের মধ্যে খুশির হাওয়া দেখা যায়। তাঁদের বক্তব্য, টানা প্রায় সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে এই চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে থাকায় অনেকের রুটি রুজিতে টান পড়ে গিয়েছে। মুদ্রা বিনিময় ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের ব্যবসায় দারুণভাবে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অনেকের সাংসারিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার চালুর খবরে তাঁরা আনন্দিত।

জানা গিয়েছে, এই চেকপোস্ট দিয়ে পুনরায় যাত্রী পারাপার চালুর বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের দপ্তর থেকে একটি বার্তা স্থানীয় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কর্তাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে রবিবার অথবা সোমবার থেকেই এই চেকপোস্ট খুলে যেতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে চেকপোস্ট খুলে গেলেও নেপাল, ভুটান ও ভারতের মানুষজন বাংলাদেশে যাতায়াত করতে পারলেও বাংলাদেশের মানুষজন ভারতে ঢুকতে পারবেন কিনা সেটাও পরিস্কার নয়।

- Advertisement -

যেসব যাত্রী পাসপোর্ট নিয়ে সীমান্ত পারাপার করবেন তাঁদের কোভিড পরীক্ষার সার্টিফিকেট এবং রেজাল্ট নেগেটিভ থাকা বাধ্যতামূলক রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও বিষয়টি তাঁদের নিকট স্পষ্ট নয়। তবে দ্রুতই এখান দিয়ে পাসপোর্টধারী মানুষের যাতায়াত চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এবিষয়ে স্থানীয় ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কর্তারা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

এদিন চেকপোস্ট খুলে যাবার খবর পেয়েই সীমান্তে হাজির হন এই কাজের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন মানুষজন। মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র এবং বিভিন্ন দোকানপাট খুলে সেগুলি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতেও দেখা যায় অনেককেই।

চ্যাংরাবান্ধা মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র সমূহের কমিটির সভাপতি বিশ্বজিৎ সাহা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে থাকায় এই এলাকার প্রচুর মানুষ ভীষণ সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেরই ব্যবসা লাটে উঠে গিয়েছে। চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার চালুর বিষয়ে এদিন তাঁদের কাছেও খবর পৌঁছেছে। তাই তাঁরাও প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন।