৪ মাসে ২৫০ কোটি টাকার করোনিল বিক্রি করেছে বাবা রামদেব

1288

মুম্বই: পতঞ্জলি কোম্পানির করোনিলে করোনা নিরাময়ের ওষুধ হিসাবে বিজ্ঞাপনে আয়ুষ মন্ত্রক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু, তারপরেও করোনা কালে ৪ মাসে ২৫ লক্ষ করোনিল কিট বিক্রি করেছে পতঞ্জলি। যার বাজার মূল্য প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা। পতঞ্জলির অফিসিয়াল তথ্য অনুসারে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

যখন করোনা সংক্রমণ ঊর্দ্ধমুখী তখন বিশ্বজুড়ে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে নানা রকম তথ্য দাবি করে। এরকম পরিস্থিতিতে গত ২৩ জুন পতঞ্জলি করোনিলকে বাজারে আনে এবং দাবি করে, করোনিল করোনা নিরাময় করতে সক্ষম। এরপরেই শুরু হয় বিতর্ক। বাধ্য হয়ে আয়ুষ মন্ত্রক করোনিলের ট্রায়াল সম্পর্কে তথ্য জানতে চাওয়ার পাশাপাশি করোনা নিরাময়ের ওষুধ হিসেবে এর বিজ্ঞাপনে আয়ুষ মন্ত্রক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

- Advertisement -

এরপরেই পতঞ্জলি করোনিলকে ইমিউনিটি বুস্টার বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ হিসেবেই পরিচয় দেয়। তখন আয়ুষ মন্ত্রকের তরফেও করোনিলকে ইমিউনিটি বুস্টার ওষুধ হিসেবে বিক্রি করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, করোনিলকে কখনই করোনা নিরাময়কারী ওষুধ হিসেবে বিক্রি করা যাবে না। স্বাভাবিক ভাবেই এরপর থেকে বাজারে করোনিল বিক্রি করতে শুরু করে পতঞ্জলি। সংস্থার অফিসিয়াল তথ্য বলছে বাজারে আসার পর থেকে গত ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ৪ মাসে করোনিলের ২৫ লক্ষ কিট বিক্রি হয়েছে। যার মোট আর্থিক মল্য ২৫০ কোটি টাকা।