নয়ন রায়, সোনাপুর : আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের চকোয়াখেতির দক্ষিণ কামসিং গ্রামের একটি ঝোরার ওপর থাকা বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ার কারণে চলাচলে সমস্যা হচ্ছে গ্রামবাসীদের। বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় দুবছর ধরে সাঁকোটি বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সেটি সংস্কারের ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও ওই এলাকার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কাজল রায় বলেন, চলতি বছর বর্ষাতেই বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গিয়েছে। ভাঙনের পরপরই আমি গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। অনুমোদন মিললেই সাঁকো সংস্কার হবে।

অন্যদিকে, ঝোরার একটু দুরেই রয়েছে দক্ষিণ কামসিং গ্রাম এসএসকে। ফলে ঝোরা পারাপারের ক্ষেত্রে পড়ুয়াদেরও সমস্যা হচ্ছে। গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে অবশ্য সমস্যা মেটানোর বিষযে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ দাস বলেন, প্রায় দুবছর ওই সাঁকোটি ভেঙে রয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও সেটি সংস্কারের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের কোনো উদ্যোগ নজরে পড়েনি। ঝোরা পারাপারে সমস্যা হচ্ছে আমাদের। জ্যোতি দে নামে অপর এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, দক্ষিণ কামসিংয়ে দাসপাড়া গ্রামে ঝোরার ওপর থাকা ওই বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে থাকায় পারাপারে সমস্যা হচ্ছে। আমরা চাই স্থানীয় প্রশাসন এবিষযে ব্যবস্থা নিক।

দক্ষিণ কামসিং গ্রাম এসএসকের সহায়িকা মণিকা ভাওয়াল মৈত্র বলেন,  বর্ষায় ঝোরার জল বাড়লে পড়ুয়াদের বাধ্য হয়ে অনেকটা ঘুরপথে এসএসকে-তে আসতে হয়। জল কমলে ভাঙা সাঁকোটির নীচ দিয়ে বিপজ্জনকভাবে ওরা চলাচল করে। অন্তত পড়ুয়াদের কথা ভেবে সাঁকো তৈরির ব্যাপারে প্রশাসনের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই কথা শোনা গিয়েতে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের গলাতেও। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়া সত্ত্বেও কেন কোনো পদক্ষেপ করছেন না সে বিষযে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। চকোয়াখেতি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লতিকা রায় বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রতিটি বুথে আমাদের নির্মাণ সহায়ক ভিজিট করেছেন। প্রযোজন অনুযায়ী কাজগুলি করা হবে।