গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে নেই, দাবি সায়ন্তনের

103

চালসা: গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে নেই। বুধবার মেটেলি ব্লকে দেওয়াল লিখন ও ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে এসে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, ‘পাহাড় সহ তরাই ডুয়ার্সের গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ কি তৃণমূলের অত্যাচারের কথা ভুলে যাবেন। এখনও বহু গোর্খা ভাই মিথ্যা মামলায় জেলে আছেন, অনেকেই হাসপাতালে আছেন। বিমল গুরুং বিক্রি হয়ে গিয়ে তৃণমূলে গেলেও গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁর সঙ্গে নেই। যাঁরা ভাবছেন যে গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে আছে তাঁরা মূর্খামি করছেন।’

সায়ন্তন বসু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে মিম কোনও প্রভাব ফেলবে না।’ এদিকে, শীঘ্রই বিজেপির সাত জন সাংসদ তৃণমূলে যোগদান করবেন বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সেই প্রসঙ্গে সায়ন্তনবাবু বলেন, ‘জ্যোতিপ্রিয় নিজেই বিজেপিতে যোগদানের জন্য যোগাযোগ করছেন।’

- Advertisement -

এদিন সায়ন্তনবাবু প্রথমে বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্রান্তি মোড় এলাকায় যান। সেখানে স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ‘চায়ে পে চর্চা’য় অংশ নেন। এরপর তিনি পৌঁছে যান মঙ্গলবাড়ি এলাকায়। সেখানে দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে যোগদান করেন। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে আসেন বাতাবাড়ি ফার্ম বাজারের বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করেন তিনি। এই কর্মসূচিতে সায়ন্তনবাবুর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী, জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভুজেল, সমতল মণ্ডল সভাপতি দীপঙ্কর ধর, আপার মণ্ডল সভাপতি পুনা ভেংরা, মজনু হক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।