আসানসোলের বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় স্থায়ী নাকা চেকপোস্ট

180

রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানা আসানসোলের বারাবনিতে অজয় নদীর সেতুর উপর রুনাকুড়াঘাটে নতুন স্থায়ী নাকা চেকপোস্ট তৈরি হল। আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বারাবনি থানার অধীনে এই নাকা পয়েন্টটি। আগামী কাল সোমবার বারাবনির “রুণাকুড়াঘাট নাকা পয়েন্ট”-র উদ্বোধন করবেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসিপি (পশ্চিম) অনমিত্র দাস।

প্রশাসন সূত্রে খবর, এই সেতু বা ঘাটের একদিকে রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের বারাবনি বিধানসভা। অন্যদিকে সেতুর ওপারে রয়েছে ঝাড়খণ্ডের নলা বিধানসভা। পশ্চিম বর্ধমান ও জামতাড়া জেলার রুণাকুড়াঘাটের উপর দিয়ে গেছে অসম হাইওয়ে। আসানসোল বা জেলার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম এই সেতুর রাস্তা। পাণ্ডবেশ্বর বা ইলামবাজার সেতু কোনও কারণে বন্ধ থাকলে এই অজয়ের সেতু হয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর অন্যতম ভরসা। দুই রাজ্যের সীমানায় এই নাকা পয়েন্টটি এতদিন স্থায়ী ছিল না।এখানে একটি অস্থায়ী ঘর ছিল। মাঝে মাঝে ডিউটি থাকলে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে বারাবনি থানার পুলিশ যাতায়াতকারী ছোট বড় সমস্ত গাড়িতে নজরদারি চালাতে পারত না।

- Advertisement -

ডিসিপি(পশ্চিম) অনমিত্র দাস বলেন, স্থায়ী এই চেকপোস্টের মাধ্যমে আন্তঃরাজ্য সীমানা এবার থেকে ২৪ ঘন্টা নজরদারি থাকবে। ২৪ ঘন্টা পুলিশ অফিসার সহ কনস্টেবল মোতায়েন থাকবে এই নাকা পয়েন্টে। সিসি ক্যামেরাও লাগানো থাকছে এই নাকা পয়েন্টে। ফলে দুই রাজ্যের সীমানায় অপরাধ বা যেকোন ধরনের অসামাজিক কাজ এবার থেকে নিয়ন্ত্রণ আনা অনেকটাই সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতি কারণে বারাবনির রুণাকুড়াঘাটের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। বিশেষ করে ভিন রাজ্য থেকে আসা মালদা, মূর্শিদাবাদ ও বীরভূমের পরিযায়ী শ্রমিকদের নথি সংগ্রহ করা থেকে গাড়ি তল্লাশি শুরু হয় এই সেতুর উপর। সেখানে স্থায়ীভাবে নাকা পয়েন্ট হওয়ায় নজরদারির সঙ্গে আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাও বাড়ালো বলে পুলিশ কর্তারা মনে করছেন।