ডাক্তার চলে যাওয়ায় বিপাকে লক্ষাধিক মানুষ

334

কুমারগ্রাম : কুমারগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সপ্তাহখানেক আগে চলে গিয়েছেন। তাঁর বদলে অন্য চিকিৎসক আসেননি। ফলে একসপ্তাহ ধরে তালাবন্ধ হযে পড়ে আছে কুমারগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের হোমিওপ্যাথির বহির্বিভাগ। প্রতিদিনই শতাধিক রোগী চিকিৎসা করাতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষাধিক বাসিন্দা নির্ভরশীল। চলে যাওয়া চিকিৎসক রাজীব পণ্ডিত এলাকায সুনাম কুড়িয়েছিলেন। অনেকেই হোমিওপ্যাথির উপর নির্ভরশীল হযে পড়েছিলেন। তাই অবিলম্বে কুমারগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক নিযোগ করে হোমিওপ্যাথি বহির্বিভাগ চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয বাসিন্দারা। কুমারগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক (বিএমওএইচ) ডাঃ মিজানুল ইসলাম বলেন, রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের থেকে অনুমতি নিযে কুমারগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক উচ্চতর শিক্ষালাভে (এমডি) চলে গিয়েছেন। শূন্যপদ পূরণের বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে শুরু করে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনে জানানো হয়েছে।

স্থানীয বাসিন্দা নিবিড় গুহ বলেন, ‘কুমারগ্রাম প্রত্যন্ত এলাকা। অসুখবিসুখে একজন ভালো ডাক্তার পাওয়া মুশকিল। কুমারগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাজীব পণ্ডিত আচমকা চলে যাওয়ায় আমরা খুবই সমস্যায় পড়েছি। উনি খুব ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দিতেন। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের কাছে দাবি, দ্রুত একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এখানে নিযোগ করা হোক।’ পাগলারহাটের বাসিন্দা শ্যামাপদ অধিকারী বলেন, ‘রাজীব পণ্ডিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে খুবই ভালো ছিলেন। বহু মানুষ ওঁর চিকিৎসায় ভালো ফল পেয়েছেন। উনি চলে যাওয়ায় তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষাধিক বাসিন্দা বিপাকে পড়েছেন।’ একই কথা বলেন কুমারগ্রামের বাসিন্দা স্বপন দত্ত এবং নিউল্যান্ডস চা বাগানের বাসিন্দা দোলা লোহার (শীল)। স্থানীয বাসিন্দারা জানান, ভিনরাজ্যে চিকিৎসায় গিয়ে ফল না পাওয়া বহু মানুষ রাজীব ডাক্তারের হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাই এমন একজন ডাক্তার হাতছাড়া হওয়ায় এলাকাবাসী খুব সমস্যায় পড়েছেন।

- Advertisement -

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাজীব পণ্ডিত বলেন, ‘ডক্টর অফ মেডিসিন (এমডি) পড়াশোনার জন্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে অনুমতি পেয়েছি। তাই উচ্চতর শিক্ষালাভে চলে এসেছি।’

ছবি- হোমিওপ্যাথি বর্হিবিভাগ বন্ধ।

তথ্য ও ছবি- নৃসিংহপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়