কোচবিহারে ফের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার শুরু

428

কোচবিহার : কোচবিহার শহর এবং শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় অবাধে প্লাস্টিকের ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বাজার থেকে শুরু করে গালামালের দোকান, মিষ্টি ও ফলের দোকানে ফের প্লাস্টিকের ব্যবহার শুরু হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত থাকায় প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের বিরুদ্ধে পুরসভার অভিযান ও নজরদারি আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। এর ফলে আনলক-৪এর সময় শহরে ফের প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। সেজন্য ফের কোচবিহার শহরে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার বন্ধে পুরসভার অভিযানের দাবি উঠেছে।

শহরবাসীদের অনেকেই জানিয়েছেন, বিভিন্ন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে খাবারের দোকানেও প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শহরবাসীর পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমী সংগঠনও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শহরকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে শীঘ্র পুরসভার অভিযানে নামা উচিত বলে তাঁরা জানিয়েছেন। করোনা সংকটের আগে পুরসভার তরফে শহরকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে অভিযান চালানো হয়েছিল। কিছুদিন কড়াকড়ি থাকায় প্লাস্টিকের ব্যবহার সেসময় প্রায় বন্ধ হলেও কিছুদিন পর থেকেই ফের প্লাস্টিকের ব্যবহার শুরু হয়।

- Advertisement -

আনলক-৪ পর্যায়ে শহরের প্রায় সমস্ত এলাকায় ফের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। শহরের ভবানীগঞ্জ বাজার থেকে শুরু করে নতুন বাজার, বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ও ফাস্ট ফুডের দোকানে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়াও, শহর এবং শহরতলি এলাকায় বিভিন্ন রাস্তায় ফল এবং সবজির দোকানেও ক্রেতাদের ক্যারিব্যাগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

শহরের বাসিন্দা অরুণ দাস বলেন, প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করতে পুরসভা এবং প্রশাসনের লাগাতার অভিযান চালানো দরকার। পুরসভার তরফে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও তা লাগাতার না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ফের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার করছেন। পুরসভার নজরদারির অভাবই এর জন্য দায়ী। তারা দেখেও কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। শহরকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে তাদের লাগাতার অভিয়ানে নামা উচিত। সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মহানন্দ সাহা বলেন, পরিস্থিতির সুয়োগ নিয়ে একশ্রেণির ব্যবসাযী ফের প্লাস্টিকের ব্যবহার শুরু করেছেন। এ বিষয়ে পুরসভার লাগাতার অভিযান চালানো উচিত। কোচবিহার পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ভূষণ সিং বলেন, পুরসভা এবং প্রশাসনের তরফে যৌথভাবে অভিযানে নামা হবে। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসাযী পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ফের প্লাস্টিকের ব্যবহার শুরু করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।