Breaking News: দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণের সূচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

145

নয়াদিল্লি: অবশেষে অপেক্ষার অবসান। আজকের দিনের অপেক্ষায় ছিল দেশবাসী। শনিবার টিকাকরণের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

করোনার সঙ্গে প্রায় এক বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন দেশবাসী। আজ যেন করোনার বিরুদ্ধে শেষ লড়াই। বিশ্বের সবথেকে বড় গণটিকাকরণ অভিযান। খুব কম সময়ে জোড়া ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। তাঁর জন্য বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে টিকা পাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশে করোনার টিকাকরণের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টিকাকরণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এদিন প্রথম ধাপে টিকাকরণের আওতায় রয়েছেন এক কোটি স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁদের মধ্যে অন্তত তিন লক্ষকে সারা দেশের ৩,০০৬টি কেন্দ্র থেকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

- Advertisement -

দিল্লিতে প্রথম দিনে ৮১টি কেন্দ্রের মধ্যে ছয়টিতে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন টিকা দেওয়া হবে। ৭৫টিতে দেওয়া হবে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড। প্রত্যেকে যাতে ২৮ দিনের ব্যবধানে একই প্রতিষেধকের দু’টি ডোজ পান, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে। অসমের ৬৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৯টিতে কোভিশিল্ড ও ছয়টিতে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। পশ্চিমবঙ্গে টিকা দেওয়া হবে ২১২টি কেন্দ্রে। তবে প্রতি একশো জনের মধ্যে একজনের টিকা নেওয়ার পর সামান্য শারীরিক অসুবিধা বোধ হতে পরে বলেও আগেই সতর্ক করেছে কেন্দ্র। কোন কোন ক্ষেত্রে টিকা নেওয়া উচিৎ নয় নানা বিষয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। টিকাকরণ অভিযান উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে হায়দরাবাদের একটি ভ্যাকসিন কেন্দ্র। ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে গেট। বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছে ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রটিকে। পশ্চিমবঙ্গেও এদিন ২১২টি কেন্দ্রে শুরু হবে টিকাকরণ। প্রথম দফায় টিকা পাবেন করোনা যোদ্ধারা। রাজ্যে টিকাকরণের ওপর নজরদারি চালাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় টিকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় ১৯টি কেন্দ্রে টিকাকরণ হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, টিকার প্রথম ডোজের ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। দেশ তথা বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের পর থেকেই বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে গবেষণা। করোনার বিরুদ্ধে লড়তে অক্লান্ত পরিশ্রম চালিয়েছেন গবেষকরা। গবেষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দুটি টিকা বাজারে আনতে পেরেছে ভারত। আজ যেন সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকছেন দেশবাসী।