করোনাকালে সপ্তম ভাষণে কী বললেন মোদি? জানুন বিস্তারিত

550

নয়াদিল্লি: লকডাউন উঠলেও ভাইরাস কিন্তু যায়নি। তাই উৎসবে সুরক্ষার কথা আগে ভাবতে হবে। করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সপ্তম ভাষণে এমনটাই বলেন। গত কয়েক মাসে দেশবাসীর চেষ্টায় করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই শুধরেছে। কিন্তু সেই পরিস্থিতি থেকে ফের নতুন করে করোনার বাড়বাড়ন্ত মেনে নেওয়া যায় না। তাই উৎসবের মরসুমে গা ছাড়া দিলে চলবে না। অনেকেই মাস্ক পরছেন না। এটা শুধু নিজেদের নয়, পরিবারের সবাইকেই বিপদে ফেলছেন।

এক নজরে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন—-
‘করোনার ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি। ধীরে ধীরে দোকান, বাজার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
‘লকডাউন না থাকলেও, ভাইরাস চলে যায়নি। করোনা ভাইরাস এখনও আছে, এটা মনে রাখতে হবে।’
‘ভারতে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যা সাড়ে ৫ হাজারের করোনা’
‘আমেরিকা, ব্রাজিলের মতো দেশে এই সংখ্যা ২৫ হাজারের কাছে’
‘ভারতে প্রতি ১০ লক্ষের মধ্যে ৮৩জনের মৃত্যু’‘আমেরিকা, ব্রাজিল-সহ বহু দেশে এই সংখ্যা ৬০০র কাছে’ ‘আমাদের দেশে করোনা আক্রান্তের জন্য ৯০ লক্ষের বেশি বেড’
‘দেশে করোনা টেস্টের সংখ্যা ১০ কোটি পেরিয়ে যাবে’
‘করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে করোনা টেস্টিং বৃদ্ধি বড় শক্তি’
‘করোনার কোনও ভয় নেই, এমন ভাবলে চলবে না’

- Advertisement -

‘এমন কিছু ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যাতে বেপরোয়াভাব স্পষ্ট’
‘মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোলে, পরিবারকেই বিপদে ফেলবেন’
‘আমেরিকার মতো দেশে করোনার সংখ্যা ফের বাড়ছে’
‘এই পরিস্থিতি এখন গাফিলতির জায়গা নেই’
‘আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের জন্য কাজ করছেন’
‘ভ্যাকসিন এলেই, দ্রুত সম্ভব বণ্টনের জন্য প্রস্তুতি চলছে’
‘প্রত্যেক দেশবাসীর কাছে টিকা পৌঁছনোর জন্য চেষ্টা চলছে’
‘ওষুধ না আসা পর্যন্ত কোনওরকম ঢিলেমি দেওয়া যাবে না’
‘উৎসব করুন, কিন্তু নিজেদের সুরক্ষার কথা আগে ভাববেন।’
’কঠিন সময় পেরিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এই সময় সামান্য গাফিলতিও এই গতিতে বাধার সঞ্চার করতে পারে। দায়িত্ব পালন ও সতর্কতা-দুটি পাশাপাশি চললেই জীবনে বজায় থাকে সুখ-সম্বৃদ্ধি। দুই গজের দূরত্ব ও নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার ও মাস্ক পরার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।