চিন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক আজ, মোদীর ডাকে সাড়া দিয়ে থাকছেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক: চিন-ভারত সীমান্তে সেনা সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। এই আবহে আজ সর্বদলীয় বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিকেল ৫টায় বৈঠকে সব দলকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজকের ভার্চুয়াল বৈঠকে থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গকে বলার সুযোগ না দেওয়ায় ১৭ জুন করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যোগ দেননি মমতা। তবে আজকে নবান্ন থেকে বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। মমতা জানান, দেশের স্বার্থ জড়িত থাকায় আমি নিজেই বৈঠকে থাকব।

- Advertisement -

কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীও বৈঠকে থাকতে পারেন বলে খবর। তবে আম আদমি পার্টি ও আরজেডি-কে বৈঠকে না ডাকায় ক্ষুব্ধ তারা। বৈঠকে না ডাকায় আরজেডি তরফে লালুপুত্র তেজস্বী যাদব তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি আমন্ত্রন না পাওয়ায় আপ নেতা সঞ্জয় সিং টুইটে বিজেপিকে বিঁধেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গতকাল বিভিন্ন দলের শীর্ষনেতাদের ফোন করে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা জানান। সূত্রের খবর, যে সমস্ত দলের ৫ জন সাংসদ রয়েছে, সেই দলকেই বৈঠকে ডাকা হয়েছে।

এদিকে গালওয়ান উপত্যকায় সোমবার রাতে ভারত-চিন সংঘর্ষের ঘটনায় চিন সেনার হেপাজতে থাকা ১০ ভারতীয় জওয়ানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে দু’দিন ভারত-চিন মেজর-জেনারেল স্তরে যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, তাতে কোনও রফাসূত্র না বেরিয়ে এলেও জওয়ানদের মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় বরফ যে কিছুটা গলল, তা বলাই যায়।

প্রসঙ্গত, সোমবার গালওয়ান উপত্যকার আধিপত্য নিয়ে ভারত-চিন সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালীন ভারতের ২০ জন জওয়ান শহিদ হন। চিনেরও ৪৩ জন সেনা ঘটনায় হতাহত হয়েছেন। এরপরই ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার এই নিয়ে ভারত-চিন মেজর-জেনারেল স্তরে বৈঠকও হয়। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা হয়নি। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ফোনে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ির সঙ্গে কথা বলেন। তাতেও কিছুটা সুরাহা হয়নি। চিন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে, এমনটাই বলেন বিদেশমন্ত্রী।