কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ

105

কালিয়াচক: কংগ্রেস নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে এবার আক্রান্ত পুলিশ। অভিযোগ, একদল গ্রেপ্তারি অভিযান চলাকালে একদল ক্ষিপ্ত জনতা আচমকাই পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক সহ বেশ কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার আক্রান্ত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সিলামপুর গ্রামীণ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রবিবার সন্ধায় ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের মোজমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইমাম জায়গীর গ্রামে। ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোজমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইমাম জায়গীর গ্রামে কংগ্রেস নেতা হাজরু শেখের নেতৃত্বে দিবারাত্রি ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। টুর্নামেন্ট চলাকালীন প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ কালিয়াচক থানার পুলিশ মাঠের মধ্যে গিয়ে হাজরু শেখকে গ্রেপ্তার করে। হাজরু শেখের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

- Advertisement -

খেলা চলাকালীন পুলিশ হাজরুকে গ্রেপ্তার করে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই মাঠে উপস্থিত দর্শকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। পুলিশের ওপর চড়াও হন তারা। পুলিশের হাত থেকে হাজরুকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপরেই পুলিশের ওপর হামলা শুরু হয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেক পুলিশ কর্মীই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান। তবে এদিনের ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারীক সহ কয়েকজল সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন। ঘটনার পরেই কালিয়াচক থানার বিশাল পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌঁছে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে।

কালিয়াচক-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল বিশ্বাস বলেন, ‘ইমাম সাহেবদের গ্রামে একটি টুর্নামেন্ট চলছিল। সেই সময় এক আসামী হাজরু শেখকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। সেসময় পুলিশকে মারধর করা হয়। আসামি পালিয়ে যায়। কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছেন।’

কালিয়াচকের কংগ্রেস নেতা বাপ্পা খান বলেন, ‘ওখানে একটা খেলা চলছিল। মঞ্চে হাজরু বসেছিলেন। সেই সময় সাদা পোশাকের পুলিশ গিয়ে তার কপালে পিস্তুল ধরে। তাঁকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করে। সেই সময় আমজনতা দুষ্কৃতী ভেবে পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশ যদি পোশাকে থাকত তাহলে এরকম ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল না।’

এবিষয়ে কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাসকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।