হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, রাজ্য সভাপতিকে নালিশ বিধায়কের

222

বর্ধমান: ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগে থেকেই পূর্ব বর্ধমানে চড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ। বর্ধমান-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী রিনু দে’র বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে উত্তপ্ত বর্ধমানের রায়ান ১ পঞ্চায়েতের খাঁ পুকুর এলাকা। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তৃণমূল নেত্রী রিনু দে’র বাড়িতে হামলা চালানোর পাশাপাশি তাঁকে খুনের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রিনু দে’র বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিজেপির কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক সহ দলের নেতা-কর্মীরা শনিবার বেলায় বর্ধমানের খাঁ পুকুর নিবাসী রায়ান ১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা ব্লকের সভানেত্রী রিনু দে’র বাড়িতে যান। ভাঙচুরের সবিস্তার নিজের চোখে দেখে এসে বিধায়ক বলেন, ‘শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ বিজেপির দুষ্কৃতীরা দলের নেত্রী রিনু দে’র বাড়িতে চড়াও হয়েছিল। তারা রড, টাঙ্গি ও বোমা নিয়ে নেত্রীর বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুর চালায়। দলের নেত্রী রিনু দে’কে খুনের হুমকিও দিয়ে গিয়েছে বিজেপির দুষ্কৃতীরা।’ বিধায়ক নিশীথ মালিকের আরও অভিযোগ, ‘শুধু দলের নেত্রীর বাড়িতে হামলা চালানোই নয়, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের যে নতুন কার্যালয়টি তৈরি হচ্ছে সেটিতেও ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপির দুষ্কৃতীরা।’ নিশীথ মালিক বলেন, ‘বিজেপির দুষ্কৃতীরা এই নিয়ে পাঁচবার তাঁদের দলের নেত্রীর বাড়িতে হামলা চালাল। পুলিশকে জানানো হলেও কোনও লাভ হয়নি।’ বিধায়ক জানান, সেই কারণে ঘটনার সবিস্তার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে জানানো হয়েছে। হামলাকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

- Advertisement -

রায়ানের তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে হামলার ঘটনায় বিজেপি জড়িত বলে বিধায়ক নিশীথ মালিক দাবি করলেও তা মানেননি জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় এদিন বলেন, ‘তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় বিজেপির কেউ জড়িত নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এই ঘটনা ঘটেছে। বর্ধমান ১ ব্লকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত তৃণমূল। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তৃণমূল নেতারা ঘটনার সঙ্গে বিজেপির নাম জড়িয়ে দিচ্ছে।’