এক দশক বাদে দলীয় কার্যালয়ের সাফ-সাফাই, বাধা দিল পুলিশ

130

চোপড়া: অভিযোগ ছিল আগ্নেয়াস্ত্র মজুতের। কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ উঠতেই অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এরপরেই প্রশাসনের তরফে সিল করে দেওয়া হয় চোপড়ার ভৈষপিটা মোড় এলাকার সিপি(আই)এম-এর লোকাল কমিটির দলীয় কার্যালয়। প্রায় এক দশক সময় যাবৎ তালা বন্ধ অবস্থাতেই পড়েছিল সেই দলীয় কার্যালয়টি। এক দশক বাদে নির্বাচনের মুহূর্তে সেই কার্যালয়ের সাফ-সাফাইয়ে উদ্যত হয় দলীয় কর্মীরা। যদিও পুলিশি বাধায় তা অধরা থেকে যায়।

ঘটনাটি ২০১১ সালের জুন মাসের। সেসময় রাজ্যে বাম জমানায় ইতি পড়ে। ফলে প্রশাসনের তরফে সিল করে দেওয়া দলীয় কার্যালয় পুলরুদ্ধারে কোনও ভূমিকা নজরে আসেনি সেসময়। এভাবেই কেটে গিয়েছে এক দশক। দলীয় কার্যালয় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় তা কার্যত ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে। এক দশক বাদে ভোটের আবহে সোমবার সেই দলীয় কার্যালয় চত্ত্বর সাফেইয়ে মন দিল দলীয় নেতৃত্বরা। বিষয়টি নজরে আসতেই পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। এপরেই পুলিশের তরফে আপত্তি জানানো হয়। বন্ধ হয়ে যায় সাফ-সাফাইয়ের কাজ।

- Advertisement -

স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জাহিদুল রহমান বলেন, ‘সিপি(আই)এমের এই দলীয় কার্যালয় থেকেই ২০১১ সালে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। পুলিশ প্রশাসন সেই সময় ওই দলীয় কার্যালয়টি সিল করে দেয়।আইনি জটিলতার মধ্যে ভোটের আগে ফের ওই দলীয় কার্যালয় খুলতে চেষ্টা চালাচ্ছে সিপি(আই)এম। বিষয়টি মৌখিকভাবে পুলিশের নজরে আনা হয়েছে।’

সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপি(আই)এম প্রার্থী আনওয়ারুল হক বলেন, ‘বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে দলীয় কার্যালয়টি বন্ধ করে দিয়েছিল। প্রশাসনের তরফে ওই দলীয় কার্যালয়টি সিল করে দেওয়ার পর সেখানে আর যাওয়া হয়নি।সামনে আবর্জনা জমেছিল। গ্রিল জানালা নষ্ট হয়ে পড়েছে। তাই, সামনের অংশটা সাফাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। আপাতত দলীয় কার্যালয়ের সামনে একটি অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয় তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’