জুয়ার আসর থেকে তুলে আনা ভুটভুটিচালকের মৃত্যু, মিল্কি ফাঁড়ি জ্বালিয়ে দিল জনতা 

602

মালদা, ১৪ অক্টোবর : পুলিশ হেপাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রবিবার  গভীররাতে ইংরেজবাজার থানার অধীনে থাকা মিলকি ফাঁড়ি রণক্ষেত্র হযে ওঠে। উত্তেজিত বাসিন্দাদের একাংশ ফাঁড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয। মারমুখী জনতার হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যান ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ,  পুলিশ এদিন নিয়ামতপুরে  জুযার আসর থেকে এক প্রৌঢ়কে ফাঁড়িতে তুলে নিযে এসেছিল। ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তিকে একচোট মারধর করা হয। পরে ফাঁড়িতে নিযে এসে আরও মারধর করা হলে ওই প্রৌঢ় মারা যান। নিয়ামতপুরের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি পেশায ভুটভুটি চালক ছিলেন। পুলিশ হেপাজতেই ওই প্রৌঢ় মারা যান বলে অমৃতি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ বাবলুর দাবি। এই খবর ছড়াতেই বাসিন্দারা উত্তেজিত হযে ওঠেন। রাত ১১টা নাগাদ ওই ফাঁড়িতে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মালদা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। দমকলও এলাকায় পৌঁছায়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ফাঁড়ির অফিসঘরের যাবতীয় নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। রাত থেকেই এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাতেই পুলিশ মৃতদেহটি মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।ফাঁড়িতে আগুন লাগানোর অভিযোগে রাতে সাত জনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের দাবি, পুলিশ নিরীহ ব্যক্তিদের আটক করেছে। পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সঙ্গে তাদের কোনো যোগ নেই। পুলিশের কোনো আধিকারিক এনিয়ে মুখ খুলতে চাননি।

ছবি- ক্ষিপ্ত জনতা পুড়িয়ে দিল মিল্কি ফাঁড়ি।

- Advertisement -

তথ্য ও ছবি- হরষিত সিংহ