ঘর থেকে উদ্ধার রক্তমাখা টিস্যু, অভিনেত্রী আরিয়ার মৃত্যুতে দানা বাঁধছে রহস্য

456

অনলাইন ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী আরিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে এখনও মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দে তদন্তকারীরা। লেক থানার পুলিশ অতিদ্রুত ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও তাঁরাও বিশেষ কোনও দিশা পাননি বলেই খবর। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর কারণ আন্দাজ করা যাবে।

দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কের ত্রিতল বাড়িতে সারমেয়কে নিয়ে থাকতেন আরিয়া। বাড়িতে আরও কেউ থাকত না। পরিচারিকা প্রতিদিন এসে কাজকর্ম করলেও রাতে থাকতেন না। শুক্রবার সকালে তাঁর পরিচারিকা বাড়িতে এসে বেশ কয়েকবার বেল বাজিয়ে সাড়া না পাওয়ায় প্রতিবেশীদের ডাক দেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। এরপরেই লেক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভাঙলে উদ্ধার হয় অভিনেত্রীর রক্তাক্ত দেহ। পুলিশ এবং ফরেনসিক দল বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেত্রী তিনতলায় থাকতেন। একতলা ও দু’তলা তালাবন্ধ ছিল। তাঁর ঘর থেকে বেশকিছু টিস্যু পেপার উদ্ধার হয়েছে। বেশকিছু টিস্যুতে মিলেছে রক্তের দাগ। এই বিষয়টিই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। তাঁর ঘর থেকে মদের বোতল মেলায় পুলিশের সন্দেহ আরিয়ার নিয়মিত মদ্যপান করতেন। তাঁর বাড়ি থেকে বেশকিছু পুরনো প্রেসক্রিপশন মিলেছে। তাতে দেখা গিয়েছে বছরখানেক আগে হেপাটাইটিস বি এবং কিডনির সমস্যা ধরা পড়েছিল আরিয়ার। তবে ঠিক কী কারণে তিনি চিকিৎসা করাননি তা নিয়ে ধন্দে তদন্তকারীরা।

বিখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট মেয়ে আরিয়া। তাঁর আসল নাম দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুম্বইয়ে অনুপম খেরের অভিনয় স্কুল থেকে অভিনয় শেখেন। চুটিয়ে মডেলিংও করেছেন তিনি। বলিউডে তাঁর প্রথম ছবি ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘‌লাভ সেক্স অউর ধোকা’‌। এরপর ‘‌দ্য ডার্টি পিকচার’‌ ছবিতেও তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায়। তবে তারপর থেকে তাঁকে আর সেভাবে রুপোলী পর্দায় দেখা যায়নি।