পাঞ্জিপাড়া, ১২ মার্চঃ মা-বোনের গায়ে টর্চের আলো ফেলে অসভ্যতা করছিলেন পুলিশের এএসআই। তার প্রতিবাদ করায় সাংবাদিককে থানায় ঢুকিয়ে বেধড়ক মারধর করলেন ওই পুলিশ অফিসার। মঙ্গলবার সকালে এমনই ঘটনা ঘটেছে পাঞ্জিপাড়া ফাঁড়িতে। দুলাল দেবনাথ নামে ওই এএসআই-এর বিরুদ্ধে পাঞ্জিপাড়ায় ট্রাক থেকে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে এক আগেও। এদিন উত্তরবঙ্গ সংবাদের সাংবাদিক অরুণ ঝা পরিবারকে নিয়ে গাড়িতে কিশনগঞ্জ যাওয়ার সময় পুলিশের নাকা চেকিংয়ে আটকে পড়েন। তিনি দেখেন, পুলিশের এএসআই দুলালবাবু কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে লরি থেকে টাকা তুলছেন। অরুণবাবুর গাড়িতে মহিলারা আছেন দেখে তাঁদের গায়ে টর্চের আলো ফেলে অসভ্যতা শুরু করেন এএসআই। অরুণবাবু প্রতিবাদ করায় তাঁকে রাস্তাতেই বেধড়ক মারতে শুরু করে পুলিশ। পাঞ্জিপাড়া ফাঁড়িতে নিয়ে এসেও মারধর থামেনি। অরুণবাবু পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁর অ্যাক্রিডেশন কার্ড ছুড়ে ফেলে দেন এএসআই। মোবাইল ফোন মাটিতে ছুড়ে ফেলে দেন। লকআপে ঢুকিয়ে মারধর চলতে থাকে

এএসআই দুলাল দেবনাথের এই অপকর্মের কথা জানাজানি হতেই পুলিশের উপর মহলেও হইচই পড়ে যায়। অন্য সাংবাদিকরা পৌঁছে যান। তাঁদের দেখেই দুলাল দেবনাথ ভোল পাল্টাতে শুরু করেন। কেন অরুণবাবু সাংবাদিক পরিচয় আগে দেননি, এমন অদ্ভুত যুক্তি দিতে থাকেন তিনি। এদিকে  গোয়ালপোখর থানার ওসি এমটি ভুটিয়া ফোনে কথা বলেন অরুণবাবুর সঙ্গে। পাঞ্জিপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ নন্দন কুমার অরুণবাবুকে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান। দুলালবাবুর মারে মাথায় চোট লেগেছে অরুণবাবুর। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।