সাফাই হয় না নিকাশিনালা, দূষণে জেরবার আঠারোখাইয়ের বাসিন্দারা

258

বাগডোগরা : আঠারোখাই, মাগুরমারি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার নিকাশিনালা দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ তুলছেন স্থানীয়রা। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মাগুরমারি সেতু এলাকায় দূষণের পরিমাণ ভযংকর আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হলেও নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হয়নি। বহু বাসিন্দা মাগুরমারি নদীকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড হিসাবে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ। আবর্জনার জেরে এশিয়ান হাইওয়ে-টু দিয়ে যাতায়াত করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

আঠারোখাইয়ের বাসিন্দা সজলকুমার গুহ বলেন, নিকাশিনালা পরিষ্কার করতে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতকে জানানো হয়। কিন্তু বিএড কলেজের পাশের নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হলেও বাকি জায়গা পরিষ্কার করা হয়নি। মাগুরমারি নদী ছাড়াও শিবমন্দির বাজারের পাশে আবর্জনা জমে পাহাড় সমান হয়ে গেছে। আঠারোখাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান অসিতকুমার নন্দীর অভিযোগ, এলাকাটি ডেঙ্গিপ্রবণ হলেও দীর্ঘদিন নিকাশিনালা পরিষ্কার করা হয়নি। এখানকার মিলিটারি রোডের কালভার্টের আবস্থাও খারাপ হয়ে রয়েছে। কালভার্ট বন্ধ থাকায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আবর্জনার জেরে দূষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন আঠারোখাইয়ের বাসিন্দা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ভোলা ঘোষ। তিনি  বলেন, আবর্জনা ফেলায় দূষণ হচ্ছে এটা ঠিক। এখানে ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকার জন্য মানুষ যেখানে-সেখানে ফেলছেন। লকডাউনের জন্য সাফাইকর্মী পেতে সমস্যা হচ্ছে। তবুও এর মধ্যে নালা পরিষ্কার ও স্প্রে করার কাজ করছে গ্রাম পঞ্চায়েত। আঠারোখাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অভিজিৎ পাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিকাশিনালা পরিষ্কার করা কিংবা স্প্রে করা হচ্ছে না- এই অভিযোগ ঠিক নয়। নিকাশিনালার সমস্যা যেখানে রয়েছে আমরা সেখানে লোক পাঠিয়ে পরিষ্কার করছি। ডেঙ্গি প্রতিরোধে স্প্রে করা হচ্ছে। তবে লকডাউনের সময় অর্থ প্রধান সমস্যা হয়েছে। ওই ফান্ডে অর্থ নেই। এপ্রিল মাস থেকে অর্থ আদায় বন্ধ হয়ে রয়েছে। তবুও আমরা সাফাইকর্মীদের দিয়ে কাজ করছি।

- Advertisement -