দূষণ বাড়ছে মূর্তি নদীতে, আশঙ্কায় বন্যপ্রাণ

105

চালসা: শীতকাল মানেই ঘুরতে যাওয়া, পিকনিক। আর পর্যটনের এই মরশুমে হাত গরম করতে ব্যস্ত উত্তরবঙ্গের সব পর্যটনকেন্দ্রগুলি। তা মূর্তি হোক, আর গরুমারা। কিন্তু সেই ফুরফুরে মেজাজে ঘুরতে গিয়ে পর্যটকদের হাতে দূষিত এই পর্যটনকেন্দ্রগুলি। যার জেরে চিন্তা বাড়ছে বনকর্মী থেকে শুরু করে পরিবেশপ্রেমীদের।

ডুয়ার্সের একটি অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হল মূর্তি। সামনে গরুমারা জঙ্গল। আর তার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে মূর্তি নদী, নদীর ওপর রয়েছে দীর্ঘ সেতু। মূর্তির অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে রোজ বহু পর্যটক আসে মূর্তিতে। মূর্তি নদীর ধারে বসে চলে আড্ডা সাথে ছবি তোলা। নদীর ধারে বসে আড্ডার সাথে চলে শুকনো খাবার খাওয়ার পালা। দূষণরোধে মূর্তি নদীর ধারে পিকনিক বন্ধ করা হলেও মূর্তির দূষণরোধ করা যাচ্ছে না। নদীর ধারে ও নদীতে মানুষ ফেলে যাচ্ছে প্লাস্টিক, থার্মোকল সহ অনন্য সামগ্রী। ফলে নদী দূষণের সঙ্গে বন্যপ্রাণীদেরও ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন পরিবেশপ্রেমীরা।

- Advertisement -

মূর্তি নদীর ধারে মাঝে মধ্যেই চলে আসে হাতি, গন্ডার সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী। মূর্তি নদীর জল গরুমারার বন্যপ্রাণীরা পান করে। লাগাতার এই দূষণের ফলে বন্যপ্রাণীরাও মূর্তি নদীর জল পান করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পরিবেশপ্রেমী সুমন চৌধুরী বলেন, ‘মূর্তিতে মানুষ আসুক। তবে নদীতে বা নদীর ধারে যাতে প্লাস্টিক, থার্মোকল না ফেলে তার জন্য জনগণকে সচেতন হওয়া উচিৎ। এর আগেও আমরা মূর্তিতে লাগাতার সাফাই অভিযান করেছি। আবারও সাফাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ পাশাপাশি মূর্তি নদীকে যাতে জনগণ দূষিত না করে তার জন্য জনগণকে সচেতন করার জন্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।