মরা রায়ডাকের বিসর্জনঘাট পরিষ্কার হয়নি

অরিন্দম চক্রবর্তী, কামাখ্যাগুড়ি : কামাখ্যাগুড়ি হাইস্কুল মাঠের কাছে মরা রায়ডাকের তীরে রয়েছে বিসর্জনঘাট। সেখানে প্রতিবছর পুজোর পর প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। এ বছর পুজোর মরশুম শেষ হওয়ার এক মাস হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও প্রতিমার কাঠামোগুলি পড়ে রয়েছে ঘাটেই। দুর্গাপুজোর পর প্রতিমা বিসর্জন হতেই গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কালীপুজো ও জগদ্ধাত্রীপুজোর প্রতিমা বিসর্জনের পর সেই কাঠামোগুলি আর সরানো হয়নি। ফলে নদী দূষণ হওয়ায় উদ্বেগে এলাকাবাসী।

কামাখ্যাগুড়ির যুবক দীপ ঘোষ বলেন, বিসর্জনঘাট শুধু নয়, মরা রায়ডাক নদীর বিভিন্ন অংশেই আবর্জনা জমে দূষণ ছড়ায়। নদীর বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে। এই ঘাটের অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। সেই সঙ্গে নদীর বিভিন্ন অংশে যাতে আবর্জনা না জমে, সেই বিষয়ে মানুষের সচেতনতা জরুরি। নিয়মিত নদীবক্ষ সংস্কারে প্রশাসনের উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। কামাখ্যাগুড়ি সংলগ্ন পারোকাটা এলাকার বাসিন্দা হরিশংকর দেবনাথ বলেন, কয়েক বছর আগেই বিসর্জনঘাট সুন্দর করে তৈরি করা হয়। প্রশাসনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু প্রশাসনের তরফে ঘাটের আশপাশের সৌন্দর্যায়নেও পদক্ষেপ করা জরুরি। প্রতিমার কাঠামো, আবর্জনা জমে থাকা দৃষ্টিকটু।

- Advertisement -

মৎস্যজীবীদের একাংশ এই ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে মাছ সংগ্রহ করেন। কিন্তু ঘাট পরিষ্কার না হওয়ায় এবং প্রতিমার কাঠামোর সঙ্গে কচুরিপানা জমে থাকায় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মৎস্যজীবী জানান, এই ঘাটে কচুরিপানা জমে থাকায় এবং প্রতিমার কাঠামো জমে থাকায় মাছ ধরতে সমস্যা হচ্ছে। ঘাটের সংস্কার হলে পরিষ্কার জলে মাছ ধরার সুবিধা হবে। এই বিষয়ে কামাখ্যাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সঞ্জয় পাল বলেন, দ্রুত বিসর্জনঘাট পরিষ্কারের বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে।