রাস্তা বেহাল, অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে পারছে না

শুভদীপ শর্মা, ময়নাগুড়ি : দীর্ঘ ৩০ বছরে দুই গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা মেরামত হয়নি। বেহাল রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা। গ্রামে অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে পারছে না। এমনকি হেঁটে চলাও দায় ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগজানের সঙ্গে দোমোহনি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর মৌয়ামারির প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসীর। যদিও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গোটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত কাঁচা রাস্তা পাকা করার কাজ চলছে বলে দাবি ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের।

ময়নাগুড়ি থেকে মালবাজারগামী ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে দোমোহনি মোড় পার করার পর খানিক দূরে একটি রাস্তা চলে গিয়েছে দোমোহনি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর মৌয়ামারি ও ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগজানের দিকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই রাস্তাটি উত্তর মৌয়ামারি ও বাগজান গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। তবে দীর্ঘ কয়েক দশকেও প্রায় কয়েক কিলোমিটার এই রাস্তার বেশ কিছু অংশ মেরামত হয়নি। ফলস্বরূপ রাস্তাটি বেহাল হয়েছে। ভরা বর্ষায় রাস্তার কঙ্কালসার রূপ ফুটে উঠেছে। হাঁটুসমান কাদা বর্তমানে এমন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে, এই রাস্তা দিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স তো দূরের কথা, হেঁটে চলাও দায়। অথচ এই রাস্তা দিয়ে ওই এলাকার কয়েক হাজার গ্রামবাসী নিত্যদিন যাতায়াত করেন। বহু মুমূর্ষু রোগীকে কাঁধে করে নিয়ে যেতেও রোগীর পরিবারের লোকজন বাধ্য হন।

- Advertisement -

স্থানীয় বাসিন্দা ভলেন রায়, অখিল রায়, মলিন রায় অভিযোগ করেন, বারবার এই বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে জানানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি। একই বক্তব্য স্থানীয় বাসিন্দা তথা ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য যমুনা রায়ের। তিনি জানান, বিষয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে পঞ্চায়েত সমিতির সমস্ত জায়গায় জানানো হয়েছে। রাস্তা মেরামত করার চেষ্টা চলছে। ময়নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সজল বিশ্বাস জানান, পঞ্চায়েতি ব্যবস্থায় ২০১৪ সালের পরে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত কাঁচা রাস্তা পাকা করার কাজ চলছে। উত্তর মৌয়ামারির এই রাস্তাটিও যাতে পাকা করা যায় সেজন্য আমাদের তরফে চেষ্টা করা হচ্ছে।