চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে শুরু হচ্ছে পোর্টাকেবিন বসানোর কাজ

515

চ্যাংরাবান্ধা, ৭ অগাস্টঃ অবশেষে বিজিবি অর্থাৎ বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের তরফে মিলল সবুজ সংকেত। কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় শুল্কদপ্তরের তরফে পোর্টাকেবিন (বিশেষভাবে তৈরি ঘর) বসানোর কাজ শুরু হচ্ছে। শুল্ক দপ্তর সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই এই কেবিনটি স্থলবন্দর এলাকায় বসানোর কাজ শুরু করা হবে।

কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় সীমান্তের কাছে পরিকাঠামোর সুব্যবস্থা না থাকায় শুল্ক কর্তাদের বিভিন্ন সময়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই অবস্থায় দ্রুত স্থায়ী বড় মাপের পরিকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সম্প্রতি রাজ্যের অন্যান্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত স্থলবন্দর এলাকাগুলির মতো চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায়ও একটি আধুনিকমানের পোর্টাকেবিন বসানোর পরিকল্পনা করা হয়। লোহার তৈরি এই কেবিনটি বসাতে গেলে সিমেন্টের ছোটো পিট তৈরি করতে হবে। এই পিটের উপর এই কেবিনটি বসানো হবে। শুল্ক দপ্তর জানিয়েছে, তাদের তরফে এই পিট তৈরির কাজ শুরু করতেই এইনিয়ে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলেন বুড়িমারি সীমান্তের বাংলাদেশ বর্ডারগার্ডের কর্তারা। যার জেরেই কাজটি থমকে যায়। এরপর বিষয়টি নিয়ে দু’তরফে আলোচনা করা হলে সমস্যার সমাধান হয়। এইপ্রসঙ্গে শুল্ক দপ্তরের চ্যাংরাবান্ধা শাখার সুপার ইনটেনডেন্ট কপিল বাইন বলেন, ‘পোর্টাকেবিন বসানো নিয়ে বাংলাদেশের তরফে আপত্তি জানানোতে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তা মিটে গিয়েছে।’

- Advertisement -