বরাত নেই কুমোরটুলিতে, লাভের আশায় দিন গুনছেন মৃৎশিল্পীরা

83

রায়গঞ্জ: এই বছরও রাজ্যের ক্লাবগুলিকে দুর্গাপুজোর জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদানের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেও কুমোরটুলিতে প্রতিমার বরাত সেভাবে পাচ্ছেন না শিল্পীরা। গতবছরের চেয়ে এবারে প্রতিমার অর্ডার আরও কম বলে দাবি তাদের। বড় প্রতিমার বরাত নেই পাশাপাশি কোনও সরকারি সাহায্যও পাচ্ছে না। তাই এবার তিন থেকে চার ফুট উচ্চতার ছোট দুর্গা প্রতিমা বানাচ্ছেন রায়গঞ্জের কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা।

দোরগোড়ায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তবে, মৃৎশিল্পীদের বাজার এখনও মন্দা। রাজ্য সরকার ক্লাবগুলিকে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও লাভ হয়নি বলেই দাবি শিল্পীদের। দীর্ঘ দু’বছর ধরে বেহাল দশা চলার পরও মৃৎশিল্পীরা সরকারি কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। শারদ উৎসবে সরকারিভাবে সর্বজনীন দুর্গাপুজোগুলি করার জন্য কী কী নির্দেশিকা দেওয়া হতে পারে সেই ঘোষণার অপেক্ষায় আছেন অনেক পুজো উদ্যোক্তা। রায়গঞ্জের একাধিক মৃৎশিল্পীর দাবি, রাজ্য সরকার ক্লাবগুলোকে টাকা দিচ্ছে, কিন্ত মৃৎশিল্পীরা কিছুই পাচ্ছেন না। প্রতিমা নির্মাণের জন্য তারা সরকার মারফত ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ফলে পুজোর আগে প্রতিমা নির্মাণের জন্য পুঁজির অভাবে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। বিশ্বকর্মা পুজোয় কিছুটা লাভের আশা থাকলেও লোকাল ট্রেন সব চালু না হওয়ায় প্রতিমা বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন প্রত্যেকে।

- Advertisement -

শিল্পী নারায়ণ পাল বলেন, ‘যে প্রতিমার দাম ৪০ হাজার টাকা ছিল সেই প্রতিমার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার টাকা। খরচের টাকা উঠছে না। সরকারের উচিত আমাদের সাহায্য করা। আমরা সাহায্য পেলে শিল্প বেঁচে থাকবে।‘ শিল্পী গৌরাঙ্গ পাল বলেন, ‘আমরা কেউ ভালো নেই। কারণ দাম দিতে চাইছে না কেউ। ক্লাবগুলি আর্থিক সাহায্য পেলেও আমরা দাম পাচ্ছি না।‘