কোচিং থেকে বিরতি নিয়ে সোনা প্রমোদের

টোকিও : শুরুর দিকে জানতেন না, বিশেষভাবে সক্ষম অ্যাথলিটদের অন্য বিভাগ হয়। তাই সাধারণ শাটলারদের সঙ্গেই লড়াইয়ে নামতেন ১৩ বছরের প্রমোদ ভগত। সেই দিনগুলিই শক্ত হতে শিখিয়েছে টোকিও অলিম্পিকে সোনাজয়ী এই প্যারা অ্যাথলিটকে।

পাঁচ বছর বয়স থেকে প্রমোদের বাঁ পায়ে সমস্যা দেখা দেয়। এর আট বছর পর প্রতিবেশীদের দেখে ব্যাডমিন্টন খেলা শুরু করেন। একটি প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়ে দর্শকদের চিৎকার শুনে খেলার প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। তখন প্যারা স্পোর্টস সম্পর্কে কোনও কিছু জানতেন না। তাই আর পাঁচজন সাধারণ সমবয়সি কিশোরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কোর্টে ঝড় তুলতেন। ১৫ বছর বয়সে সাধারণ শাটলারদের একটি প্রতিযোগিতা থেকে শুরু। এরপর আর পেছনে ফিরে দেখতে হয়নি। ধীরে ধীরে শুধুই এগিয়ে গিয়েছেন প্রমোদ।

- Advertisement -

মোটামুটি ২০০৬ সাল থেকে প্যারা গেমসে আসেন প্রমোদ। এই অলিম্পিকে সোনা জয়ের আগে প্যারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৪টি সোনা ও প্যারা এশিয়ান গেমসে সোনা ও ব্রোঞ্জ পেয়েছেন। সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে জিতেছেন ৪৫টি পদক। এবছরই প্যারালিম্পিকে নামার সুযোগ পেয়েছেন শাটলাররা। এর আগে সেই সুযোগ না থাকায় খেলা ছেড়ে কোচিংয়ে মন দিয়েছিলেন ৩৩ বছরের প্রমোদ। তবে টোকিওয় সুযোগ পাওয়া যাবে শুনে ২০১৯ সালে কোর্টে প্রত্যাবর্তন করেন। তারপর আর পেছনে ফিরে দেখতে হয়নি। দ্রুত বিশ্বের এক নম্বর হয়ে যান।

২০১৯ সালে অর্জুন পুরস্কার পাওয়া প্রমোদের ট্রফি ক্যাবিনেট কোনও অংশে পিভি সিন্ধু বা সাইনা নেহওয়ালের মতো তারকার থেকে কম নয়। তবুও সমর্থকদের নয়নের মণি হতে পারেননি তিনি। এবার সেই বাঁধা কাটবে বলে মনে করছেন ভারতের এই সোনার ছেলে।