গুরুগ্রাম, ২৯ জুলাইঃ‌ এক গর্ভবতী ছাগলকে ধর্ষণ করার দায়ে আটজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বিকৃত এই ঘটনাটি হরিয়ানার মেওয়াট জেলায়। গুরুগ্রাম থেকে প্রায় ৭৩ কিলোমিটার দূরে। নুহ-এর নাগিনা পুলিশ স্টেশনে আইপিসি ৩৭৭ ধারায় দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

পাশবিক অত্যাচারের জেরে শেষপর্যন্ত গর্ভবতী ছাগলটি মারা যায়। এই জঘন্য কাজ করা আটজন অপরাধীকে শেষমেশ গ্রামবাসীরা পাকড়াও করে। অপরাধের কথা স্বীকার করে তারা।

জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই এই গর্ভবতী ছাগলকে উত্যক্ত করত আটজন। ছাগলের মালিক বহুবার তাদের বারণ করা সত্ত্বেও তারা কথা শোনেনি। ছাগলটির মালিক আসলুপ খান জানান, বুধবার রাত থেকে ছাগলটি নিখোঁজ ছিল। আশেপাশে খোঁজ করেও মেলেনি ছাগলটিকে। আসলুপের বাড়ির দালান থেকে ছাগলটিকে চুরি করে রাতের অন্ধকারে ছাগলটিকে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে আটজন মিলে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে। রাত ১১টা নাগাদ ইতিমধ্যে আসলুপ চেঁচামেচির শব্দ পেয়ে তাঁর পোষ্যকে খুঁজতে বের হয়। গর্ভবতী ছাগলটি যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে চিৎকার করতে থাকে। ছাগলটির মাথায় ও নাকে চোট ছিল। হাঁটাচলার ক্ষমতা হারিয়েছিল সে। এমনকী পরের দিনও কিছু খায়নি সে। মনে হচ্ছিল পক্ষাঘাত হয়ে গিয়েছিল তার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তীব্র যন্ত্রণায় মারা গিয়েছে ছাগলটি।

ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে, ছাগলটি ৫০ সপ্তাহের গর্ভবতী। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয়েছে তার। ধর্ষণের পর নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ছাগলটির নাগিনা পুলিস স্টেশনের এসআই রাজবীর সিং জানান, আসলুপ আটজন অভিযুক্তের নামে অভিযোগ দায়ের করেছে। সাভাকর, হারুন, জাফর ও তাঁর বাকি পাঁচ সঙ্গীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তিনজন ধরা পড়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।