বসন্ত উৎসবের জোর প্রস্তুতি ঘোকসাডাঙ্গায়

81

রাকেশ শা, ঘোকসাডাঙ্গা: করোনার প্রকোপ কাঠিয়ে গোটা দেশ ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে করোনার ভ্যাকসিন ও চলে এসেছে। সামনেই দোল ও হোলি। আর তারই সুবাদে মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গায় বসন্ত উৎসবের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

২০১৮ সাল প্রথম বসন্ত উৎসব শুরু হয় ঘোকসাডাঙ্গা প্রামানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে, তবে গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে বসন্ত উৎসব বন্ধ থাকলেও এবছর তা পুরোপুরি ভাবে পালন করে চতুর্থ বর্ষ বসন্ত উৎসব হিসাবে এলাকা বাসীর মন কেড়ে নিতে চাইছে ঘোকসাডাঙ্গা বসন্ত উৎসব বেতাল নামক একটি সংস্থার সদস্যরা। ইতিমধ্যেই ঘোকসাডাঙ্গার বিভিন্ন রাস্তায় রাত জেগে রংবেরংয়ের আল্পনা সাজিয়ে তুলছে বসন্ত উৎসব কমিটির সদস্যরা।

- Advertisement -

তবে ঘোকসাডাঙ্গা বসন্ত উৎসব কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন টিম বেতাল নামক একটি সংস্থা এই আলপনা বানানোর কাজের সাথে যুক্ত রয়েছে। যারা প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও রাত জেগে আলপনা তৈরি করে প্রতিবছর এই উৎসবকে আরো রঙ্গিন করে তোলে মানুষের মন কেড়ে নেওয়া যায় তার এক মাত্র প্রচেষ্টা সারা এলাকা জুড়ে বিভিন্ন রং বেরঙ্গের আল্পনা।

জানা গিয়েছে এই বেতাল নামক গ্রুপে ৩৮ জন সদস্য রয়েছে। তারা এবছর ঘোকসাডাঙ্গার স্টেশন রেলগেট, পুরাতন থানা, চৌপথি এলাকায় রাত জেগে আল্পনা করছে। টিম বেতাল এর সদস্য অরিন্দম মন্ডল ,রোনি সাহা, দেবাদ্বীপ দে, দেবু সরকার, দিপায়ন, অভিষেক, বিপ্লব  প্রমুখরা জানান  ১৯৯৮ সালে একটি কবিতার বই ঘোকসাডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত হতো বেতালরশ্মী নামে। তার ২০ বছর পরে ২০১৮ সালে বেতাল দল তৈরি হয়। আর এই বেতাল দল মুলত বসন্ত উৎসব এর প্রধান দায়িত্বভার পালন করে থাকে।

তবে প্রতিবছর ঘোকসাডাঙ্গা প্রামানিক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বসন্ত উৎসব হলেও  এবার সামনেই বিধানসভা ভোট, তাই স্কুল প্রাঙ্গণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন।সেই কারণে এবছর এমই স্কুল মাঠে এবারের বসন্ত উৎসব হবে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এবার বসন্ত উৎসব ২৮ মার্চ রবিবার অনুষ্ঠিত হবে।