মহারাষ্ট্র, ১২ নভেম্বরঃ  মহারাষ্ট্রে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারির সুপারিশে শিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা । রাজ্যপালের সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মঙ্গলবার ওই সুপারিশে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ১৯৮০ সালের পর  ফের মহারাষ্ট্রে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন।
বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপি-কে সরকার গঠনের জন্য সোমবার ডেকেছিলেন ডেকেছিলেন রাজ্যপাল ভগতসিং কোশিয়ারি। কিন্তু কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি করতে পারেনি। রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ করেছে অভিযোগ করেছে শিবসেনা। এরপর আজ রাত ৮.‌৩০ মিনিট পর্যন্ত রাজ্যের তৃতীয় বৃহত্তম দল এনসিপি–কে সরকার গঠনের জন্য নিজেদের সংখাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু তার আগেই এই ঘটনায়, রাজ্যপালের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে শিবসেনা। একইসঙ্গে এনসিপি এবং কংগ্রেসের সমর্থনের চিঠি জোগারের জন্য আরও কিছুটা সময় দাবি করেছে তারা।
২৪ অক্টোবর নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। শিবসেনা ও বিজেপি জোট করে নির্বাচনে লড়াই করলেও মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন। করে। শিবসেনা দাবি করে, আড়াই আড়াই বছর করে দু’দলের মুখ্যমন্ত্রী থাকবে মহারাষ্ট্রে। প্রথম পর্যায়ে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও আড়াই বছর পর তাঁকে সরে দাঁড়াতে হবে। আর সেটা লিখিত দিতে হবে বিজেপিকে। কিন্তু উদ্ধবের শর্ত মানতে রাজি হয়নি গেরুয়া শিবির। এরপরেই এনসিপি ও কংগ্রেসকে নিয়ে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু করে দেয় শিবসেনা। সোমবার সন্ধায় রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে ২ দিন সময় চাল আদিত্য ঠাকরেরা। কিন্তু সেই সময় দিতে চাননি রাজ্যপাল। কারণ, এনসিপি বা কংগ্রেসের সমর্থনপত্র দেখাতে পারেননি শিবসেনার প্রতিনিধিরা। এরই মধ্যে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল কেন্দ্রের কাছে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেন।