সোমবার সব জেলায় বেসরকারি বাস চলাচলে অনিশ্চয়তা

512

কলকাতা, ৯ মেঃ উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শনিবারও কম সংখ্যক সরকারি বাস চলেছে। সোমবার ওই সব জেলাগুলিতে বেসরকারি বাস চলাচল করবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু, বেশ কয়েকটি জেলায় বেসরকারি বাস চলবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ, বেসরকারি বাস চলাচল নিয়ে সেই সব জেলার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে খবর। যদিও, ঝাড়গ্রাম, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে সোমবার থেকে বেসরকারি বাস চলাচলের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ অন্য জেলাগুলি নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও, কোচবিহারে বেসরকারি বাস চলাচল নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় নতুন করে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই সব জেলার বাস মালিকরা দ্বিগুণ হারে ভাড়া নেওয়ার জন্য সরকারি তরফে নির্দেশিকা প্রদানের দাবি করেছে। সরকারি নির্দেশিকা ছাড়া যাত্রীদের থেকে দ্বিগুণ হারে ভাড়া আদায় করা সম্ভব হবে না বলেও বাস মালিকরা মনে করছেন। এবিষয়ে জেলাশাসকের কাছে দরবার করা হয়েছে। যদিও, রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের অধিকর্তা বিশ্বজিত দত্ত বলেছেন, এমনটা হতেই পারে না। গত শুক্রবার পরিবহন সচিব নিজে জেলাশাসকদের টেলিফোন করে দ্বিগুণ হারে ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে বাস মালিকদের লিখিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরেও, এমনটা ঘটায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
তবুও তাঁর আশা আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা মিটে যাবে। সোমবারের আগে জেলাশাসকরা আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করবেন। সুতারাং, সোমবার থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলার গ্রীণজোনে সরকারি-বেসরকারি বাস চলাচল করবে বলে তিনি দাবি করেন।

- Advertisement -

এদিকে, পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ের অভাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অল বেঙ্গল মিনি বাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি জানান, রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা এক কথা বলছেন, জেলা শাসকরা আবার অন্য কথা বলছেন। লিখিত আকারে সরকারি নির্দেশিকা না থাকলে, কীভাবে যাত্রীদের থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া সম্ভব। বেসরকারি বাস মালিকরা সোমবার থেকে পথে বাস নামানোর ব্যাপারে আন্তরিক। তাঁরা রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে চান। কিন্তু, বাস্তবের মুখোমুখি বাস মালিক, চালকদেরই হতে হবে। সেবিষয়ে জেলা প্রশাসন বা সরকারের সাহায্য প্রয়োজন আছে। কিন্তু, আমরা সরকারি সাহায্য পাচ্ছি কোথায়? বরং, তাঁদের এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।