স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তৈরি নিয়ে উত্তেজনা, কমিউনিটি হলে ভাঙচুরের অভিযোগ

160

আসানসোল, ১৭ জানুয়ারিঃ আসানসোলের সালানপুর ব্লকের বাসুদেবপুরের জেমারি কমিউনিটি হলে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তৈরি করানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। রবিবার স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড তৈরীর দ্বিতীয় দিনে লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় উত্তেজনা। খবর পেয়ে পুলিশ এলাকায় পৌঁছায়। পরে সালানপুরের বিডিও-র হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তৈরির নির্ধারিত দিনে, অন্যান্য পঞ্চায়েত এলাকার মতো সালানপুর ব্লকের বাসুদেবপুরের জেমারি কমিউনিটি হলে রাতের অন্ধকার শেষ হতে না হতেই, সাধারণ মানুষের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বলে খবর।

সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই লাইনে মানুষের ভিড় উপচে পড়ে। ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে কয়েকশো মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। আচমকাই শিরীষবেড়িয়া গ্রামের কিছু মানুষ ধৈর্য হারিয়ে, লাইন ভেঙে কমিউনিটি হলের ভিতরে ঢোকার করার চেষ্টা করে। তারপরই শুরু হয় অশান্তি ও গণ্ডগোল। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের অভিযোগ, তাঁরা শিরীষবেড়িয়ার মানুষদের বাঁধা দিলে, স্থানীয় যুবক গৌতম মণ্ডলকে মারধর করা হয়। এছাড়াও, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শেখ হাসিফকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মাঝে ভাঙচুর করা হয়েছে কমিউনিটি হলের ভেতরে থাকা টেবিল ও চেয়ার।

- Advertisement -

সালানপুর থানার পুলিশ ঘটনা জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে আটক করে। ঘটনার জেরে বেশ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কাজ। কিছুক্ষণ পরে সালানপুর বিডিও অদিতি বসুর চেষ্টায় ফের চালু করা হয় স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড বানানোর কাজ। এই প্রসঙ্গে সালানপুর ব্লকের বিডিও অদিতি বসু বলেন, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের পুলিশ আটক করেছে। অশান্তি ও গণ্ডগোলের জেরে, কিছু সময় কাজ বন্ধ থাকলেও, পরে আরও ভালোভাবে নিয়ম মেনে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড বানানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা ৩ জনকে আটক করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।