ভোটের মুখে প্রকল্পের শিলান্যাস, কটাক্ষ বিজেপির

142

সোনাপুর: দীর্ঘদিন পর শিলান্যাস হল সোনাপুর পীযূষ কান্তি মুখার্জি মহাবিদ্যালয় ভবন তৈরির কাজের। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়। ভোটের মুখে কাজের শিলান্যাস নিয়ে খুশি এলাকাবাসী। তবে তা শুধুমাত্র ভোটের গিমিক বলেই মনে করছেন অনেকে।

২০১৫ সালে এই মহাবিদ্যালয় স্থাপিত হয়। তৎকালীন আলিপুরদুয়ার বিধানসভার বিধায়ক দেব প্রসাদ রায় রাজ্যসভার এক সাংসদের আর্থিক সহায়তা এনে মহাবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের অর্ধেক সীমানায় দেওয়াল তৈরি করান। মহাবিদ্যালয়টি সোনাপুর বি কে হাইস্কুলের মাঠেই চলতে থাকে। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর পর আবার কিছু আশা দেখছেন শিক্ষানুরাগীরা। আলিপুরদুয়ার বিধানসভার বর্তমান বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী তার এলাকা উন্নয়নের তহবিল থেকে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ভবন তৈরির প্রাথমিক কাজ শুরু করার শিলান্যাস করলেন এদিন। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে বিধায়ক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি মনোরঞ্জন দে, মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ললিতা ওরাওঁ প্রমুখ।

- Advertisement -

মহাবিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় পাঁচ একর জমিতে মূল ভবন তৈরি করার জন্য আনুমানিক দুই কোটি টাকা প্রয়োজন। সেই পরিমাণে এতদিন পর অত কম টাকায় কাজ শুরু হওয়া নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। এদিন চোল নদীর উপর একটি ব্রিজের কাজ এবং পাতলাখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জলের পাইপ বসানোর কাজের শিলান্যাস হয়। দুটো কাজের জন্যই বিধায়ক কোটা থেকে যথাক্রমে ১০ লক্ষ এবং ৩০ লক্ষ টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ‘কাজগুলোর টেন্ডার হয় গিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। প্রত্যেকটা পরিষেবাই মানুষের বিশেষ দরকার ছিল। কলেজের কাজে আপাতত এই টাকা দেওয়া হল। পরবর্তী বিধায়ক কোটার আরও টাকা দেওয়া হবে এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর থেকেও ফান্ডের ব্যবস্থা করা হবে।’

এইসব কিছুকেই অবশ্য ভোটের গিমিক বলেই মনে করছে বিরোধীরা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, ‘এসবই ভোটের শিলান্যাস। এতদিনে কিছু করল না, আর ভোটের আগে এই সব কিছুই লোক দেখানো।’