চ্যাংরাবান্ধা, ১৪ মেঃ নামেই চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন পর্ষদ। বাস্তবে চ্যাংরাবান্ধার উন্নয়নের জন্য আজ অবধি পর্ষদের তরফে তেমন কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন চ্যাংরাবান্ধার উন্নয়ন পর্ষদের কথা ঘোষণা করেন, সেই সময় থেকেই উন্নয়নের আশায় বুকবাঁধেন চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্রের বাসিন্দরা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত আন্তর্জাতিক এই স্থলবন্দর এলাকাটি। কিন্তু গত কয়েক বছরে পর্ষদের কাজকর্মে হতাশ সীমান্তবাসী। তাই পর্ষদকে এবার ঠুঁটো জগন্নাথ বলে এলাকার মানুষকে নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ এবং রাস্তায় বসে টানা আন্দোলনের হুমকি দিলেন ওই স্থলবন্দর এলাকার ১৫ নং সংসদের গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য সুনির্মল গুহ। মঙ্গলবার তিনি বলেন, উন্নয়ন পর্ষদ কি জন্য গঠন করা হয়েছে সেটা বুঝতে পারছেন না এলাকার মানুষ। গত একবছর ধরে পর্ষদ একেবারেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। পর্ষদের তরফে একাধিক উন্নয়নের কথা বলা হলেও কোনওরকম কাজ শুরু না হওয়ায় হতাশ তাঁরা। তাই উন্নয়ন পর্ষদকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখার প্রতিবাদে আগামি ২১ মে চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করা হবে। এরপরেও কাজ না হলে টানা অনশন আন্দোলন শুরু করা হবে বলেও সুনির্মলবাবু জানান। চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র অধিকারি অবশ্য জানিয়েছেন, ‘চ্যাংরাবান্ধা এলাকার উন্নয়নের জন্যও একগুচ্ছ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এইবিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করে রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় প্রক্রিয়াটি থমকে যায়। তবে নির্বাচন পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পরই কাজগুলি দ্রুত শুরু হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তিনি। পাশাপাশি উন্নয়নের বিষয়ে তাঁর তরফেও চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না বলেও পরেশবাবু জানিয়েছেন।’