ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যুতে বিক্ষোভ কলকাতায়

432
ফাইল ছবি

কলকাতা: সোমবার রাতে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষে এক কর্নেল ও ১৯ সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকেই চিনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। সেনা জওয়ানদের বলিদান বৃথা যাবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি। বুধবার এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘ভারত শান্তি চায়। কিন্তু কেউ প্ররোচনা দিলে, যে কোনও পরিস্থিতিতে তার উপযুক্ত জবাব দিতেও প্রস্তুত।’’

এদিকে ক্ষোভের ঢেউ এসে পড়ল মহানগরী কলকাতাতে। বুধবার অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা বিধান নগরে চিনা কনসাল জেনারেল দপ্তরের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন। যদিও, আগাম বার্তা পেয়ে বিক্ষোভ সামাল দিতে সমর্থ হয় বিধান নগর পুলিশ। একই সঙ্গে শহরের চিনা রেস্তোরা, ট্যানারি সহ একাধিক চিনা প্রতিষ্ঠানে আক্রমণের আঁচ পেয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে পুলিশ।

- Advertisement -

এদিকে গত কয়েক ধরেই চিনা পণ্য প্রত্যাহার আন্দোলন শুরু হয় একাধিক সামাজিক মাধ্যমে। বাস্তবেও তার আঁচ পড়ে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা বিশেষ করে চায়না টাউনের চিনা রেস্তোরাঁগুলির অধিকাংশই বন্ধ রাখা হয়। সেই দোকান গুলি খুলতে সাহস পাচ্ছেন না দোকান মালিকরা। চায়না টাউন ছাড়াও শহরের বাকি চিনা রেস্তোরা গুলিতে এদিন ক্রেতার সংখ্যও ছিল হাতে গোনা।

এদিকে কলকাতার চিনা নাগরিকদের মূল ব্যবসাই ছিল রেস্তোরাঁ ও ট্যানারির ব্যবসা। ট্যাংরাতে এখন আর ট্যানারির অস্তিত্ব নেই, সেগুলি চলে গেছে বানতলার কাছে লেদার কমপ্লেক্স। সেখানকার কারখানাগুলি অধিকাংশের মালিক চিনা হলেও সেখানকার কর্মীরা সকলেই ভারতীয়। তাই ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।