জলের তোড়ে ভাসল সেতু, ভরা বর্ষায় নৌকাই ভরসা

286

চোপড়া: নেই পাকা সেতু। নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। তাও আবার গড়তে হয় গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে। প্রতি বছরই নিয়ম করে ভরা বর্ষায় তা আবার ভেসে যায় জলের তোড়ে। সেসময় হাতের পাঁচ বলতে নৌকা। সেক্ষেত্রে প্রাক বর্ষার মরশুমে ফের পাঁকা সেতুর দাবিতে সরব হলেন তুলে ধরেছেন গ্রামবাসীরা। যদিও তাঁদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় ধরে সেতুর দাবি জানিয়ে আসলেও আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই জোটেনি ভাগ্যে।

চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ভেরভেরি, উত্তর ধামোরগছ, আদিবাসীপাড়া, দোমুখো ও দক্ষিণ ধামোরগছ গ্রামের তিনদিকে নদী। স্বাভাবিকভাবেই সদর চোপড়া পৌঁছোতে ওই গ্রামের বাসিন্দাদের ভরসা বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বর্ষা শেষে চাঁদা তুলে প্রতিবছর বাঁশের সাঁকো বানানো হয়। কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয় সাঁকো তৈরির ক্ষেত্রে। সেই সাঁকোই একমাত্র ভরসা। যদিও বর্ষায় তা প্রতিবারই ভেসে যায়। তবে এবছর বর্ষা আসার আগেই ভেসে গেল সেই সাঁকো। স্থানীয়দের কথায়, নদীই আমাদের কাছে অভিশাপ হয়ে উঠেছে।

- Advertisement -

চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান জাহেদা খাতুন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বেরং নদীর ঘাটে আপাতত গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে নৌকার ব্যবস্থা করা হবে।’

অন্যদিকে, চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধানে বেরং নদীর ঘাটে সেতু তৈরির বিষয়ে প্রশাসনিক স্তরে  ইতিমধ্যে আলোচনাও হয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে মাপজোখে কাজও।