সরকারি জমিতে জনসংযোগ অফিস বিধায়কের! শুরু বিতর্ক

149

রাজগঞ্জ: বিধায়কের জনসংযোগ অফিস ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজগঞ্জে। রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় যে জমির উপর জনসংযোগ অফিস তৈরি করেছেন, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সরকারি জমিতে জনসংযোগ অফিসের নামে দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। যদিও বিধায়কের দাবি, জমিটি সরকারি নয়। তবে জমিটি কার, তা তিনি পরিষ্কারভাবে জানাতে পারেননি।

রাজগঞ্জ বাজারে পাকা রাস্তার পাশে ওই অফিসটি তৈরি করা হয়। দলীয় প্রতীক যুক্ত ফলকে বিধায়কের নাম ও ছবির পাশে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে। রবিবার বিধায়ক খগেশ্বর রায় নিজ হাতে কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। খগেশ্বর রায় জানান, এই কার্যালয় তৈরি হওয়াতে জনসংযোগের কাজে সুবিধা হবে। মাসে তিন দিন ওই কার্যালয়ে তিনি বসবেন। তবে জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিতর্কের ব্যাপারে তিনি জানান, জমিটি জেলা পরিষদ বা পূর্ত দপ্তরের নয়। যদি জমিটি সরকারি বলে কেউ দাবি করেন তাহলে ঘরটি ভেঙে ফেলা হবে।

- Advertisement -

সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন সাংসদ মহেন্দ্রকুমার রায় জানান, ওই জমি জেলা পরিষদের। তিনি যখন জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন তখন জমিটি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা করার জন্য অর্থ মঞ্জুর হয়েছিল। কাজ শুরু হলেও জমির কিছু অংশ বেদখল হয়ে যাওয়ায় প্রাচীর করা যায়নি। কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি দেবব্রত নাগ জানান, ছোটবেলা থেকে ওই জমিটি জেলা পরিষদের বলে জেনে এসেছি। যেখানে তৃণমূলের কার্যালয় করা হয়েছে সেখানে জেলা পরিষদের ঘর ছিল। বিধায়ক যদিও দাবি করেন, জমিটি বেসরকারি, তাহলে জমির মালিক কে তা প্রকাশ করা হোক। রাজগঞ্জ দক্ষিণ মন্ডলের বিজেপি সভাপতি বিধান ঝাঁও জানান, তিনি ওই জমিটি জেলা পরিষদের বলে জানেন।

জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মন জানিয়েছেন, ওখানে দপ্তরের অনেকটা জমি রয়েছে। যেখানে জনসংযোগ অফিস করা হয়েছে। সেই জমিটিও সম্ভবত জেলা পরিষদের। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।