রাজ্য সরকারের অনুদানেই পুজো হচ্ছে হেলাপাকড়িতে

345

হেলাপাকড়ি: করোনা মহামারিতে চাঁদা তেমন আদায় হচ্ছেনা। তাই পুজোর সম্বল বলতে রাজ্য সরকারের দেওয়া ৫০ হাজার টাকা। যা নিয়ে চিন্তিত হেলাপাকড়ির পুজো উদ্যোক্তারা।

পদমতি-২ অঞ্চলে দুটি মাত্র সার্বজনীন দুর্গাপুজো হয়। হেলাপাকড়ি বাজারের ধানহাটি মাঠে নেতাজি ক্লাব ও পিইউআর হাইস্কুলের সামনে টাইটানিক ক্লাবের দুর্গাপুজো হয়। এই অঞ্চল বাদেও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দারা এই দুটো মন্ডপেই দুর্গাপুজোর আনন্দ উপভোগ করেন। পুজোর মাত্র দু’দিন বাকি। কিন্তু এখনও মন্ডপই তৈরি হয়নি এখানে।

- Advertisement -

নেতাজী ক্লাবের পুজো কমিটির সম্পাদক দীপক বসাক বলেন, ‘এমনিতেই লকডাউনে গ্রামের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। তার মধ্যে রাজ্য সরকারের দেওয়া ৫০ হাজার টাকার হাওয়া ছড়িয়েছে। যেকারণে মানুষের চাঁদা দেওয়ার আগ্রহ কমে গিয়েছে। তাই রাজ্য সরকারের দেওয়া ৫০ হাজার টাকাই পুজোর মূল সম্বল। তাছাড়া চাঁদা যা সংগ্রহ হবে সবমিলিয়ে খুব সংক্ষেপে পুজো করতে হচ্ছে। সেজন্য আগাম কিছু করা যায়নি।

দু’দিনের মধ্যে স্থায়ী মন্ডপে সাদামাঠা ডেকোরেশন করা হবে। জমায়েত এড়াতে মন্ডপ পুরোপুরি খোলা থাকবে। প্রতিবছর বিজয়া দশমীর দিন মন্ডপের সামনে বিরাট মেলা বসে। করোনা সতর্কতায় সেই মেলাও বাতিল করা হয়েছে।

টাইটানিক ক্লাবের পুজো কমিটির সম্পাদক রুপম চক্রবর্তী বলেন, ‘করোনা আবহের দরুন চাঁদা তেমন আদায় হচ্ছে না। পুজোর বাজেট বলতে রাজ্য সরকারের দেওয়া ৫০ হাজার টাকাই সম্বল। তাছাড়া চাঁদা যা আদায় হবে সবমিলিয়ে যতটা সম্ভব পুজো করা হবে। তবে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে করোনা সতর্কতার যাবতীয় বন্দোবস্ত করা হবে পুজো মন্ডপে’।