অল ইংল্যান্ডের সেমিতে হার সিন্ধুর

লন্ডন : এবারও পারলেন না পিভি সিন্ধু। অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিলেন। শনিবার থাইল্যান্ডের পর্নপাওয়ি চোচুয়াংয়ে কাছে মাত্র ৪৩ মিনিটে ২১-১৭, ২১-৯ পয়েন্টে হারলেন তিনি।

তাই জু ইং ও ক্যারোলিনা মারিন না থাকায় এবার সিন্ধুর লড়াইটা সহজ হবে বলে মনে করা হয়েছিল। শুক্রবার বিশ্বের পাঁচ নম্বর আকানে ইয়ামাগুচিকে হারিয়ে খেতাবের ওপর নিজের দাবি আরও জোরাল করেন তিনি। তবে এদিন প্রথম সেটের শুরুতে এগিয়ে গিয়ে লিড ধরে রাখতে পারেননি সিন্ধু। বরং একসময় ১৪-৭ পয়েন্টে এগিয়ে যান চোচুয়াং। এরপর আর ভারতীয় প্রতিপক্ষকে প্রত্যাবর্তনের কোনও সুযোগ দেননি তিনি। দ্বিতীয় সেটে তাঁর আক্রমণের সামনে সিন্ধুর যাবতীয় প্রতিরোধ খড়কুটোর মতো উড়ে যায়। ফলে সুইস ওপেনের ফাইনালের দুসপ্তাহের মধ্যে ফের হারের ধাক্কা।

- Advertisement -

কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের ইয়ামাগুচির বিরুদ্ধে তাঁর দুরন্ত প্রত্যাবর্তন সমর্থকদের আশাবাদী করে। শুক্রবারের ম্যাচে প্রথম সেট ১৬-২১ পয়েন্টে হারেন সিন্ধু। কিন্তু পরের দুই সেট ২১-১৬, ২১-১৯ পয়েন্টে জিতে শেষ তিন সাক্ষাতে হারের বদলা নেন এই হায়দরাবাদী শাটলার। পাশাপাশি চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড টুর ফাইনালসে চোচুয়াংকে হারিয়েছেন তিনি। ফলে র‌্যাংকিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা সিন্ধু চার ধাপ পিছিয়ে থাকা এই থাই শাটলারের বিরুদ্ধে ফেভারিট হিসেবেই নামেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল অন্য ছবি। এদিন তিনবার বিচারকদের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন সিন্ধু, হেরেছেন প্রতিবারই।

এর আগে ২০১৮ সালে ইয়ামাগুচির কাছে হেরে অল ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিলেন সিন্ধু। গতবছর কোয়ার্টার ফাইনালে নাজোমি ওকুহারার কাছে আটকে যান। এদিন ম্যাচের শেষে প্রতিপক্ষের প্রশংসা শোনা গিয়েছে সিন্ধুর মুখে। তিনি বলেন, চোচুযাং দুর্দান্ত খেলেছে, এই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আমি প্রথম সেটে লড়াই করেছি। তবে দ্বিতীয় সেটে সেভাবে দাঁড়াতে পারিনি। পাশাপাশি বেশ কিছু ভুলও করেছি। শনিবার সিন্ধুর বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে অল ইংল্যান্ডে ভারতের চ্যালেঞ্জও শেষ হয়ে গেল।