রাতারাতি গজিয়ে উঠছে ফাস্ট ফুডের দোকান, খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন

107
ছবি: প্রতীকী

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি শহরে রাতারাতি গজিয়ে উঠছে বিরিয়ানি, মোমো, চাউমিনের দোকান। কোথাও আবার টোটোর খোল নলচে বদলে সেটাকেই ভ্রাম্যমান ফাস্ট ফুডের দোকানে পরিণত করা হয়েছে। সন্ধ্যা হতেই দোকানে উপচে পড়ছে ভিড়। কিন্তু কী খাবার বিক্রি হচ্ছে, তার গুণগত মান কী, করোনা বিধি মেনে আদৌ খাবার বিক্রি হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর নেই কারও। দোকানগুলির খাদ্য সুরক্ষা লাইসেন্স রয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

এ প্রসঙ্গে জেলায় খাদ্য সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মৃদুল ঘোষ বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই মিষ্টির দোকানগুলিতে অভিযান চালিয়েছি। বেশ কিছু খামতি নজরে এসেছে। এরপরই আমরা মিষ্টি ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি সচেতনতা শিবির করেছি। জেলার বিভিন্ন ফাস্ট ফুডের দোকান এবং রেস্তোরাঁগুলিতে অভিযান চালানো হবে। এই ব্যবসার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের নিয়েও একইভাবে সচেতনতা শিবির করা হবে।’

- Advertisement -

গত দেড় বছরে করোনা মানুষের জীবন যাত্রায় অনেকটাই বদল এনেছে। অনেকে লকডাউনে কাজ হারিয়ে ফাস্ট ফুডের দোকান খুলেছেন। শহরের বুকে যত্রতত্র মোমো, চাউমিন, বিরিয়ানির দোকান গজিয়ে উঠেছে। সন্ধ্যার পর দেদারে বিক্রিও হচ্ছে। একইসঙ্গে শহরে চলছে ফাস্ট ফুড হোম ডেলিভারির ব্যবসাও। এখন প্রশ্ন উঠছে যাঁরা ফাস্ট ফুডের ব্যবসা করছেন তাঁরা খাদ্য সুরক্ষার নিয়ম কতটা মানছেন?

জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দা সুধাংশু ভট্টাচার্য বলেন, ‘হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে যেসব খাবার বিক্রি হচ্ছে তার গুণগত মান কী, কোন মশলা-তেল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আমরা কেউই জানি না। সাধারণ মানুষের স্বার্থে খাবারের দোকানগুলিতে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানো দরকার।’