দিনহাটায় মিষ্টির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন সাধারণ মানুষের

565

প্রসেনজিৎ সাহা, দিনহাটা: অক্টোবর মাসের শুরুতেই মিষ্টি ব্যবসায়ীদের সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় প্রতিটি খোলা ও প্যাকেটজাত মিষ্টিতে গুণগত মানের ট্যাগ ব্যবহারের কথা। কিন্তু বাস্তবে দিনহাটা মহকুমার কোনও মিষ্টির দোকানেই এখনও এই ট্যাগ ব্যবহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। এরফলে স্বাভাবিকভাবেই বিক্রি হওয়া মিষ্টির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

দিনহাটা মহকুমায় একাধিক মিষ্টি ব্যবসায়ী রয়েছেন যাঁরা এতদিন পুরোনো নিয়ম মেনেই তাঁদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁদের এই পন্থা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়েই নানা প্রশ্ন উঠছিল। মিষ্টির গুণগত মান নিয়ে অভিযোগ করতেও দেখা গিয়েছে গ্রাহকদের। দিনহাটার বাসিন্দা তপন রায় বলেন, ‘অনেক সময় আমরা মাটির পাত্রে থাকা দই কিনে থাকি এবং তা বিভিন্ন ওজনের হয়ে থাকে। তবে দেখার বিষয় সেই পাত্রের কোথাও কোনওরকম লেবেল নেই। এরফলে তার ওজন ও গুণগত মান নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। একইরকম অন্য মিষ্টিজাত দ্রব্যকে ঘিরে সেই প্রশ্ন থেকে যায়। তাই বর্তমান সরকার গুণগত মানের ট্যাগ ব্যবহারের যে নিয়ম এনেছে তাতে সেই মিষ্টির গুণগত মান সম্পর্কে সহজেই সাধারণ মানুষ অবগত হতে পারবে।’

- Advertisement -

তবে নিয়মটি হঠাৎ করে চালু হওয়ায় তা কার্যকারী করতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন মহকুমার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। দিনহাটা শহরের এক মিষ্টি ব্যবসায়ী সানি তালুকদার জানান, সব মিষ্টির গুণগত মানের স্থায়িত্ব একইরকম হয় না। তাই সেক্ষেত্রে কোন নিয়মে তা লিখতে হবে সেবিষয়ে প্রশাসনের তরফে যদি কোনও নির্দেশ পাওয়া যেত তবে সুবিধা হত। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টি ব্যবসায়ী সমিতির দিনহাটা শাখার সম্পাদক বাপ্পা সাহা জানান, এইবিষয়ে মহকুমার ফুড সেফটি অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি খুব শীঘ্রই আলোচনায় বসে এইবিষয়ে কি করণীয় তা জানাবেন। মহকুমার ফুড সেফটি অফিসার তাপস সরকার বলেন, ‘আমরা আগামি দু’দিনের মধ্যেই মহকুমার সমস্ত মিষ্টি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনায় বসব এবং সেখানেই তাঁদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে কি করে গুণগত মানের ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।’