শ্রীলঙ্কায় সবাইকে সুযোগ দিতে চান দ্রাবিড়

নয়াদিল্লি : দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফর।

দায়িত্বে অধিনায়ক-কোচের নতুন জুটি। প্রথমবার নেতৃত্বে শিখর ধাওয়ান। হেডস্যারের ভূমিকায় রাহুল দ্রাবিড়। অনভিজ্ঞ দল, আনকোরা একঝাঁক মুখ। সবকিছু ছাপিয়ে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে শিখর-দ্রাবিড় জুটি। বাইশ গজে সাফল্যের রথ ছুটিয়ে আকর্ষণের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর দুজনে।

- Advertisement -

টি২০ বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা সফর সুযোগ এনে দিচ্ছে বেশ কয়েকজন তারকার সামনে। একঝাঁক উঠতি ক্রিকেটার পাচ্ছেন নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের বড়ো মঞ্চ। কোচ দ্রাবিড়ও যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন। মিশন শ্রীলঙ্কার প্রাথমিক লক্ষ্যও স্থির করে নিয়েছেন দ্রাবিড়। সোজাসাপটা স্ট্র‌্যাটেজি, ফলাফল সরিয়ে দলে থাকা প্রত্যেককে সফরে খেলাতে চান মি. ডিপেন্ডেবল।

দ্রাবিড়ের যুক্তি, কেরিয়ারে এমন অনেককেই দেখেছি, যারা রাজ্য দলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে অনূর্ধ্ব-১৯ বা ‘এ’ দলে ডাক পেয়েছে। যদিও খেলতে না পেয়ে মানসিকভাবে পিছিয়ে গিয়েছে। কোচ হিসেবে আমি তা হতে দিতে পারি না। সবার সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। ঘরোয়া মরশুমে ৭০০-৮০০ রান করার পর ডাক পাওয়া এবং তারপরও যদি বড় মঞ্চে খেলতে না দেওয়া হয়, তাহলে সে ধাক্কা খাবে। অধিনায়কত্ব বা কোচ হিসেবে বরাবরই চেষ্টা করেছি সবাইকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়ার। আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরেও সেই নীতির ব্যতিক্রম হবে না।

উঠতি ক্রিকেটারদের নিয়ে বরাবরই কাজ করতে পছন্দ করেন। সিনিয়ার দলের প্রস্তাবও একসময় ফিরিয়ে দিয়েছেন। শ্রীলঙ্কায় জাতীয় দলের কোচ হলেও, মূলত তরুণদের নিয়ে গড়া। হাফডজন ক্রিকেটার প্রথমবার ডাক পেয়েছেন। দ্রাবিড় তাই এবার না করেননি। বরং মুখিয়ে রয়েছেন চেতন শাকারিয়া, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, দেবদূত পাডিক্কালদের মতো উঠতি প্রতিভাদের সঙ্গে কাজ করতে।

দ্রাবিড় বাড়তি জোর দিচ্ছেন শারীরিক ও মানসিক শক্তিতে। বলেন, ১৯৯৯-২০০০ পর্যন্ত ভারতীয় দলে অনেক ভালো ক্রিকেটার ছিল। অথচ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলগুলোর থেকে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। আসলে তখন শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ছবিটা এখন বদলেছে। এখন সিনিয়র দলকে দেখে শিক্ষা নিচ্ছে ‘এ’, অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তাই এই মুহূর্তে ভারতে লড়াকু মানসিকতার ক্রিকেটারের অভাব নেই।