কুলিকে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়াবে, আশাবাদী বন দপ্তর

110

দীপঙ্কর মিত্র, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলা সদর রায়গঞ্জ শহর সংলগ্ন কুলিক এশিয়ার বৃহত্তম পক্ষীনিবাস হিসাবে পরিচিত। বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে এখানে উড়ে আসে পরিযায়ী পাখিরা। ওপেন বিল স্টক, ইগ্রেট, করমোরেন্ট, নাইট হেরন মূলত এই চার প্রজাতির পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে এখানে। এই কুলিক পক্ষীনিবাসে এসে সঙ্গী নির্বাচন করে এরা বাসা বাঁধে। শাবকের জন্ম দেয়। শাবকদের উড়তে শেখানো, তাদের বড় করে তোলা পর্যন্ত থাকে তারা। কুলিক নদীর ধারে ১১ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে ৬০০ একর বনাঞ্চল এলাকা নিয়ে গঠিত এই পক্ষীনিবাসে প্রতিবছর মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পরিযায়ী পাখিরা আসে। পক্ষীনিবাসে পাখিদের ভিড় বাড়লেই বাড়ে পর্যটকদের আনাগোনা। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছরের মতো এবছরও পক্ষীনিবাস বন্ধ রয়েছে। যদিও করোনা সংক্রমণ রোধে রাজ্যে বিধিনিষেধের জেরে কমেছে পরিবেশ দূষণ। এর ফলে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা যথেষ্টই বেড়েছে। প্রতিটি গাছে ১০ থেকে ১২টি পাখি বাসা বেঁধেছে। যথেষ্ট সংখ্যক পাখি ইতিমধ্যে এসে গিয়েছে। চলতি বছর কুলিক পক্ষীনিবাসে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী কর্মীরা।

এদিন বনবিভাগের উদ্যোগে কুলিক পক্ষীনিবাস সংলগ্ন মনিপাড়া, শিয়ালমনি ও আব্দুলঘাটা এলাকায় কোভিডবিধি মেনে সচেতনতামূলক প্রচার চালান বনবিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ করা হয় ওই এলাকাগুলিতে। ফরেস্ট রেঞ্জার প্রমিতা লামা, বিট অফিসার বরুন সাহা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

- Advertisement -