বহিরাগত ইস্যুতে সরব তৃণমূল প্রার্থী

119

রায়গঞ্জ: বিরোধীদের তোলা বহিরাগত ইস্যুতে সরব হলেন রায়গঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়াল। শুক্রবার জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে রায়গঞ্জ বিধানসভার জন্য ১১ দফা অঙ্গীকার পত্র প্রকাশ করেন তৃণমূল প্রার্থী। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কানাইয়ালাল বলেন, ‘বিরোধীরা অন্য কোনও কিছু না পেয়ে বহিরাগত ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসছে। আমি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ আসনে প্রার্থী ছিলাম। আমি রায়গঞ্জে থাকব তা এখানকার বাসিন্দাদের কাছে কথা দিয়েছি।’

পাশাপাশি এপ্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস প্রশ্ন করেন, ‘২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী ও বিজিত প্রার্থীরা কে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন? কংগ্রেস প্রার্থী দীপাদাশ মুন্সী পোস্টার ব্যানারেও নেই। সিপিআইএমের মহম্মদ কোথায়? জয়ী প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীকে গত দু’বছরে রায়গঞ্জের উন্নয়নে দেখা যায়নি। কোভিডে পরিস্থিতিতে তিনবার বন্যা হয়েছে, কিন্ত দেবশ্রীদেবীকে দেখা যায়নি। কিন্তু কানাইয়াবাবু বিধায়ক বা সাংসদ না হয়েও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে গিয়েছেন। তাই বহিরাগত বলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে লাভ হবে না।’

- Advertisement -

অন্যদিকে, সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন, ‘কাটমানি ও তোলাবাজির দল সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো। আমরা ক্ষমতায় না থেকেও কোভিড পরিস্থিতিতে যে পরিষেবা দিয়ে গিয়েছি তা সাধারণ মানুষ ভালো জানেন। যে দলের প্রার্থী ভোট না হতেই বলে তৃণমূল ক্ষমতায় না আসলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে পালটি মারব তিনি কোন কাজ করবেন জানা আছে প্রত্যেকেরই।

জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পবিত্র চন্দ বলেন, ‘মোহিতবাবুর বিকল্প কেউ নেই বলেই তৃণমূল শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। মোহিতদের নেতৃত্বে আমরা সারাবছর সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করি।’ বিজেপির জেলা সহ সভাপতি ভানুরাম বর্মন বলেন, ‘তৃণমূল রাজত্ব হারাতে চলেছে বলে উলটো পালটা বলতে শুরু করেছে। জেলার মানুষের আপদে বিপদে সারাবছর থাকেন আমাদের সাংসদ। জেলার ৯টি আসন বিজেপি পাবে এবার।’ এদিন কানাইয়ালাল রায়গঞ্জে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন, পরিকল্পিত হকার্স মার্কেট তৈরি, রায়গঞ্জ থেকে বারসই রাস্তা নির্মাণ, বিধায়কের স্থায়ী অফিস নির্মাণ সহ ১১ দফা প্রতিশ্রুতি রায়গঞ্জবাসীর সামনে তুলে ধরেন।