অন্তর্ঘাতের জন্যই বিধানসভায় হেরেছেন গৌতম দেব, বিশ্বাসঘাতক বাছাই তৃণমূলের

310

রাজগঞ্জ: অন্তর্ঘাতের জন্য বিধানসভা নির্বাচনে হেরেছেন গৌতম দেব। তাই ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের বিশ্বাসঘাতকদের দল থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ফুলবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সম্পাদক তথা দলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য কার্তিক মণ্ডলকে পাঁচ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এদিন অম্বিকানগরে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে ওই তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ আহিদ ওরফে চুটকি। অন্তর্ঘাতের জন্যই দলীয় প্রার্থী তথা প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী ভোটে হেরেছেন বলে স্বীকার করেন তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি তপন সিংহ। তবে তিনি জানান, শুধু কার্তিক মণ্ডল বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। আরও অনেকে আছেন। তাঁদেরকে দলের তরফে খুঁজে বের করা দরকার। যদিও বহিষ্কৃত নেতা কার্তিক মণ্ডলের দাবি, তিনি দলবিরোধী কাজ করেননি। অথচ তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা হল।

অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ আহিদ জানান, গত লোকসভা নির্বাচনে ফুলবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি থেকে প্রায় ৯ হাজার ভোটে দল পিছিয়ে ছিল। বিধানসভা নির্বাচনে অনেকটা মেকআপ করে প্রায় ৩১০০ ভোট কম পেয়েছেন। দলের অন্তর্ঘাতের জন্য দলীয় প্রার্থী জয়ী হতে পারেননি। বিধানসভা নির্বাচনে পোড়াঝারের তৃণমূল নেতা কার্তিক মণ্ডলকে চারটি বুথের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই বুথগুলিতে তৃণমূল লিড পায়নি। ওই নেতা বিজেপির হয়ে কাজ করায় সেখানে ফল খারাপ হয়েছে। তাই দলবিরোধী কাজের কারণে তাঁকে পাঁচ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হল। দলের তরফে তদন্ত করা হচ্ছে। যে যে তৃণমূল কর্মী বিশাসঘাতকতা করেছেন তাঁদের সবাইকে বহিষ্কার করা হবে।

- Advertisement -

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মহম্মদ আহিদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি কিশোর মণ্ডল, আইএনটিটিইউসির ব্লক সভাপতি সুকান্ত কর, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নমিতা করাতি, উপপ্রধান পতলাল রায়।